ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ঢাকা-৭ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হামিদুর রহমান হামিদ আজ বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে তিনি আইইটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন।
ভোট প্রদান শেষে হামিদুর রহমান বলেন, “এখন পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা আমাদের আশাবাদী করে তুলেছে। ভোটারদের উপস্থিতি সন্তোষজনক এবং তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেন্দ্রে আসছেন। আমরা জয়লাভের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।” তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকার সকল ভোটারকে কেন্দ্রে এসে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। ভোটকেন্দ্রের সামগ্রিক চিত্র সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এখান থেকে বেরিয়ে আরও কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করব, তারপর এই আসনের ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে বোঝা যাবে।”
দেশের সামগ্রিক নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, “মানুষের মধ্যে যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখতে পাচ্ছি, তাতে আমরা আশা করছি সারা দেশে ধানের শীষের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।” তাঁর আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “জনগণই ভোটের মালিক, তারাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। এটিকে আমি কোনো চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছি না।”
উল্লেখ্য, ঢাকা-৭ আসনের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার কারণে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এই আসনটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৫, ৩৬, ৫৬ ও ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। মোট ১৫টি প্রশাসনিক ওয়ার্ডের ১৬৪টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৭৬ হাজার ১৭২ জন, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪৬ হাজার ১৫০ জন, মহিলা ভোটার ২ লাখ ৩০ হাজার ১০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১২ জন।
ঢাকার এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হামিদুর রহমান (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. এনায়াত উল্লা (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবদুর রহমান (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির (জেপি) মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আহম্মেদ মিলন (লাঙ্গল), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের মাকসুদুর রহমান (ছড়ি), স্বতন্ত্র মোহাম্মদ ইসহাক সরকার (ফুটবল), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) শাহানা সেলিম (তারা), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মো. শহিদুল ইসলাম (কাঠাল), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) সীমা দত্ত (কাঁচি), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. হাবিবুল্লাহ (বটগাছ) এবং বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির (বিআরপি) শফিকুর রহমান (হাতি)।
রিপোর্টারের নাম 

























