রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয়ের ওপর ভর করে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত দেশের মোট (গ্রোস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুসরণ করলে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলারে। গত এক মাসে মোট রিজার্ভ প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পাওয়াকে দেশের অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মার্চ মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসার পর এপ্রিল মাসেও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। ডলারের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে বাজার থেকে ডলার কেনা শুরু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলার, যা দিয়ে অন্তত পাঁচ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। সাধারণত তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ রিজার্ভ থাকাকে নিরাপদ বলে মনে করা হয়। এর আগে রিজার্ভের ওপর চাপ তৈরি হওয়ায় ব্যবহারযোগ্য অংশ ১৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে গিয়েছিল, যা এখন কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
রিপোর্টারের নাম 
























