বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে নিউজিল্যান্ডের দলটিতে অভিজ্ঞতার অভাব স্পষ্ট। তাদের স্কোয়াডে থাকা ১৫ ক্রিকেটারের মোট ওয়ানডে খেলার অভিজ্ঞতা মাত্র ৩৭২ ম্যাচ। অন্যদিকে, বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞতা প্রায় দ্বিগুণ, যা ৭৬১ ম্যাচের। এই বিশাল অভিজ্ঞতার পার্থক্য সত্ত্বেও, নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম লাথাম সিরিজ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
নিউজিল্যান্ডের ১৫ সদস্যের দলে আটজন ক্রিকেটারের ওয়ানডে খেলার অভিজ্ঞতা মাত্র এক থেকে তিন ম্যাচের মধ্যে সীমাবদ্ধ। অধিনায়ক টম লাথাম ১৬৩ ম্যাচ খেলে দলের মধ্যে সবচেয়ে অভিজ্ঞ, এরপর আছেন হেনরি নিকোলস ৮৪ ম্যাচ নিয়ে। এশিয়ার মাটিতে খেলার অভিজ্ঞতাও নিউজিল্যান্ডের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
নিউজিল্যান্ড কোচ রব ওয়াল্টার এবং অধিনায়ক টম লাথাম দুজনেই তাদের দলের অনভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। লাথাম বলেন, ‘আমাদের দলে অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার আছে যারা আগে বাংলাদেশে খেলেছে। আমরা চাই আরও বেশি সংখ্যক ক্রিকেটারকে এই অভিজ্ঞতা দিতে, যা নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের গভীরতা বাড়াবে।’
অভিজ্ঞতার পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও, নিউজিল্যান্ডের মূল লক্ষ্য সিরিজ জয়। টম লাথাম বলেন, ‘অবশ্যই, আমাদের লক্ষ্য সিরিজ জয়। আমরা এখানে এসেছি সিরিজ জিততে এবং আমরা সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। মাঠে নামলে আমরা আমাদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব।’
বাংলাদেশের দলে অভিজ্ঞতার দিক থেকে অনেক এগিয়ে। ১৫ সদস্যের মধ্যে মাত্র পাঁচজনের ওয়ানডে খেলার অভিজ্ঞতা ১০ বা তার কম। বাংলাদেশ স্কোয়াডে দুইজনের ১০০-এর বেশি ওয়ানডে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে, এবং চারজনের ৫০ বা তার বেশি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। এই অভিজ্ঞতার সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশ সিরিজ জয় করতে বদ্ধপরিকর। দলের সদস্য মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন, ‘পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিটি ম্যাচই আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা আমাদের সেরাটা দিয়ে ফলাফল আমাদের পক্ষে আনার চেষ্টা করব।’
রিপোর্টারের নাম 




















