ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

ঐতিহাসিক নির্বাচন ও গণভোট সফল, জাতির প্রতি প্রধান উপদেষ্টার গভীর কৃতজ্ঞতা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোট শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সমগ্র জাতিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। ভোটগ্রহণ শেষে এক বিবৃতিতে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এই অর্জনকে একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক দলসমূহের দায়িত্বশীল আচরণ, প্রার্থীদের সংযম এবং নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের পেশাদারিত্ব দেশের গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের অটুট অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সক্রিয় ও বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন।

প্রফেসর ইউনূস এই বিশাল গণতান্ত্রিক আয়োজন সফল করতে নিরলস পরিশ্রমের জন্য নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, পর্যবেক্ষক দল, গণমাধ্যমকর্মী এবং ভোটগ্রহণে সম্পৃক্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তাদের নিষ্ঠা ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলেই এমন একটি সফল নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হয়েছে।

তিনি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অক্ষুণ্ণ থাকে। প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, মতাদর্শের ভিন্নতা থাকলেও জাতীয় স্বার্থে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

প্রফেসর ইউনূস দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, বাংলাদেশ আজ আবারও প্রমাণ করেছে যে জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। এই নির্বাচন আমাদের জন্য এক মহা আনন্দ ও উৎসবের বার্তা বয়ে এনেছে, যা নতুন বাংলাদেশের এক অভূতপূর্ব যাত্রার সূচনা করেছে। তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ছিল। এই ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে আমাদের গণতন্ত্র উৎকর্ষের শিখরে পৌঁছাবে। প্রধান উপদেষ্টা পরিশেষে বলেন, আসুন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার এই মহান অভিযাত্রায় আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করি এবং একটি জবাবদিহিমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে যাই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারের আকাশসীমায় ইরানের আগ্রাসন প্রতিহত: দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত

ঐতিহাসিক নির্বাচন ও গণভোট সফল, জাতির প্রতি প্রধান উপদেষ্টার গভীর কৃতজ্ঞতা

আপডেট সময় : ০৬:১২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোট শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সমগ্র জাতিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। ভোটগ্রহণ শেষে এক বিবৃতিতে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এই অর্জনকে একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক দলসমূহের দায়িত্বশীল আচরণ, প্রার্থীদের সংযম এবং নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের পেশাদারিত্ব দেশের গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের অটুট অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সক্রিয় ও বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন।

প্রফেসর ইউনূস এই বিশাল গণতান্ত্রিক আয়োজন সফল করতে নিরলস পরিশ্রমের জন্য নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, পর্যবেক্ষক দল, গণমাধ্যমকর্মী এবং ভোটগ্রহণে সম্পৃক্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তাদের নিষ্ঠা ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলেই এমন একটি সফল নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হয়েছে।

তিনি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অক্ষুণ্ণ থাকে। প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, মতাদর্শের ভিন্নতা থাকলেও জাতীয় স্বার্থে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

প্রফেসর ইউনূস দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, বাংলাদেশ আজ আবারও প্রমাণ করেছে যে জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। এই নির্বাচন আমাদের জন্য এক মহা আনন্দ ও উৎসবের বার্তা বয়ে এনেছে, যা নতুন বাংলাদেশের এক অভূতপূর্ব যাত্রার সূচনা করেছে। তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ছিল। এই ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে আমাদের গণতন্ত্র উৎকর্ষের শিখরে পৌঁছাবে। প্রধান উপদেষ্টা পরিশেষে বলেন, আসুন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার এই মহান অভিযাত্রায় আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করি এবং একটি জবাবদিহিমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে যাই।