ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উৎসব: তারেক রহমানের নেতৃত্বে তৃণমূল থেকে ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে নতুন দিগন্ত

আলো ঝলমলে স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে শুধু স্বপ্নই জন্ম নেয় না, গ্রামের ধুলোমাখা মাঠে কিংবা বর্ষার কাদায় ভেজা স্কুল প্রাঙ্গণেও ভবিষ্যতের ক্রীড়াবিদদের স্বপ্ন অঙ্কুরিত হয়। এতদিন সুযোগের অভাবে অনেক প্রতিভা হারিয়ে গেলেও, এখন সেই গল্প বদলের দিন শুরু হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির মাধ্যমে। এটি শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, এটি দেশের হাজারো শিশু-কিশোর-কিশোরীর চোখে জ্বলে ওঠা নতুন সম্ভাবনার আলো।

সোমবার রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে বসেছিল এই আলোরই এক উৎসব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন বিজয়ী খুদে ক্রীড়াবিদদের হাতে ট্রফি তুলে দিচ্ছিলেন, তখন গ্যালারিতে বসে থাকা হাজারো শিশু-কিশোরের চোখে ছিল বিস্ময়, আনন্দ আর অদম্য স্বপ্নের ঝিলিক। কারও হাতে ট্রফি উঠেছে, কারও গলায় ঝুলেছে পদক। তবে আনন্দ আলো ছড়ানো এই বিকেলে আসলে জয়ী হয়েছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ক্রীড়াঙ্গন।

দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার মানুষ, আর সেই মানুষের মধ্যেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য অজানা ক্রীড়া প্রতিভা। এতদিন তাদের অনেকেই আলোয় আসার আগেই হারিয়ে গেছে। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সেই হারিয়ে যাওয়া প্রতিভাদের খুঁজে বের করার এক সাহসী উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং ক্রীড়া পরিদপ্তর এই কর্মসূচি শুরু করেছে। এর সুস্পষ্ট লক্ষ্য হলো—খেলাধুলাকে শুধু অবসর বিনোদনের বিষয় হিসেবে নয়, বরং জাতীয় উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া এবং আন্তর্জাতিক পরিচয়ের শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। এটি যেন শুধু খেলোয়াড় খোঁজার প্রকল্প নয়, ২০২৬ সালের বাংলাদেশকে ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার এক দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।

চলতি বছরের ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে শুরু হয় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর যাত্রা। এরপর উপজেলা থেকে জেলা, জেলা থেকে বিভাগ পেরিয়ে দেশের নানা প্রান্তের প্রতিভারা এসে মিলিত হয়েছে জাতীয় পর্যায়ের আসরে। মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াম, সুইমিং কমপ্লেক্স, শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম কয়েকদিনের জন্য যেন হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের খুদে স্বপ্নবাজদের মিলনমেলা। ফুটবল, ক্রিকেট, অ্যাথলেটিক্স, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট—এই আটটি ডিসিপ্লিনে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরাকে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীর ঘাঁটিতে সৌদি-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা: নিহত ৮

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উৎসব: তারেক রহমানের নেতৃত্বে তৃণমূল থেকে ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে নতুন দিগন্ত

আপডেট সময় : ১০:৫৮:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

আলো ঝলমলে স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে শুধু স্বপ্নই জন্ম নেয় না, গ্রামের ধুলোমাখা মাঠে কিংবা বর্ষার কাদায় ভেজা স্কুল প্রাঙ্গণেও ভবিষ্যতের ক্রীড়াবিদদের স্বপ্ন অঙ্কুরিত হয়। এতদিন সুযোগের অভাবে অনেক প্রতিভা হারিয়ে গেলেও, এখন সেই গল্প বদলের দিন শুরু হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির মাধ্যমে। এটি শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, এটি দেশের হাজারো শিশু-কিশোর-কিশোরীর চোখে জ্বলে ওঠা নতুন সম্ভাবনার আলো।

সোমবার রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে বসেছিল এই আলোরই এক উৎসব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন বিজয়ী খুদে ক্রীড়াবিদদের হাতে ট্রফি তুলে দিচ্ছিলেন, তখন গ্যালারিতে বসে থাকা হাজারো শিশু-কিশোরের চোখে ছিল বিস্ময়, আনন্দ আর অদম্য স্বপ্নের ঝিলিক। কারও হাতে ট্রফি উঠেছে, কারও গলায় ঝুলেছে পদক। তবে আনন্দ আলো ছড়ানো এই বিকেলে আসলে জয়ী হয়েছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ক্রীড়াঙ্গন।

দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার মানুষ, আর সেই মানুষের মধ্যেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য অজানা ক্রীড়া প্রতিভা। এতদিন তাদের অনেকেই আলোয় আসার আগেই হারিয়ে গেছে। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সেই হারিয়ে যাওয়া প্রতিভাদের খুঁজে বের করার এক সাহসী উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং ক্রীড়া পরিদপ্তর এই কর্মসূচি শুরু করেছে। এর সুস্পষ্ট লক্ষ্য হলো—খেলাধুলাকে শুধু অবসর বিনোদনের বিষয় হিসেবে নয়, বরং জাতীয় উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া এবং আন্তর্জাতিক পরিচয়ের শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। এটি যেন শুধু খেলোয়াড় খোঁজার প্রকল্প নয়, ২০২৬ সালের বাংলাদেশকে ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার এক দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।

চলতি বছরের ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে শুরু হয় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর যাত্রা। এরপর উপজেলা থেকে জেলা, জেলা থেকে বিভাগ পেরিয়ে দেশের নানা প্রান্তের প্রতিভারা এসে মিলিত হয়েছে জাতীয় পর্যায়ের আসরে। মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াম, সুইমিং কমপ্লেক্স, শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম কয়েকদিনের জন্য যেন হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের খুদে স্বপ্নবাজদের মিলনমেলা। ফুটবল, ক্রিকেট, অ্যাথলেটিক্স, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট—এই আটটি ডিসিপ্লিনে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।