আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আখতার আহমেদ আজ জানিয়েছেন যে, দেশের ২৯৯টি আসনে ব্যালট পেপার পৌঁছে গেছে, যা নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতির সমাপ্তি নির্দেশ করে। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য ‘মিডিয়া সেন্টার’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য জানান।
সিনিয়র সচিব বলেন, শেরপুর-৩ আসন ব্যতীত দেশের বাকি ২৯৯টি আসনে ব্যালট পেপার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নির্বাচন সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই সামগ্রীগুলো বর্তমানে রিটার্নিং অফিসারদের কার্যালয় থেকে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে, যা দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। এই পথচলা মসৃণ ছিল না, অনেক বাধা অতিক্রম করে নির্বাচন কমিশন এই পর্যায়ে এসেছে।
ভোট গণনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি জানান, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হবে। সেখান থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ফলাফল একত্রিত করে নির্বাচন কমিশনে পাঠাবেন এবং কমিশন পর্যায়ক্রমে সেই ফলাফল প্রকাশ করবে।
এবারই প্রথম পোস্টাল ব্যালটের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে একটি পৃথক ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। পোস্টাল ব্যালট গণনায় কাঠামোগত প্রক্রিয়া ও যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন হওয়ায় এসব কেন্দ্রের ফলাফল আসতে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে, তবে ফলাফল প্রকাশে কোনো অযৌক্তিক বিলম্ব হবে না বলে তিনি আশ্বাস দেন।
নির্বাচন কমিশন নিয়মিত তথ্য সরবরাহ করবে এবং প্রয়োজনে তথ্যের ব্যাখ্যাও প্রদান করবে। তিনি অপতথ্য ও অপপ্রচার থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের উপর জোর দেন। সত্য যতই কঠিন হোক না কেন, তা প্রকাশ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এই অনুষ্ঠানে তথ্য সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 





















