ঢাকার চারটি গুরুত্বপূর্ণ আসনের পর এবার দেশের আরও ১৩টি সংসদীয় আসনের জনমত জরিপের সংক্ষিপ্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে গবেষণা ও জরিপ প্রতিষ্ঠান ‘সোচ্চার’। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) প্রতিষ্ঠানটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পাতায় এই তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রকাশিত ফলাফলে বিভিন্ন আসনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র উঠে এসেছে।
জরিপ অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপি ৭ শতাংশ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। তবে কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে, যেখানে জামায়াত ৩ শতাংশ ভোটে এগিয়ে। কুমিল্লা-১০ আসনেও জামায়াত ৮ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।
ময়মনসিংহ-৯ এবং ঢাকা-১ আসনে বিএনপি প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, গাইবান্ধা-২ আসনে জামায়াতের অবস্থান বেশ শক্তিশালী; সেখানে তারা ১৮ শতাংশ ভোটে এগিয়ে রয়েছে।
রাজধানীর আসনগুলোর মধ্যে ঢাকা-৮ আসনে এনসিপি ১৬ শতাংশ এবং ঢাকা-১১ আসনে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ ভোটে এগিয়ে রয়েছে। ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মধ্যে তুমুল লড়াইয়ের সংকেত পাওয়া গেছে, যেখানে বিএনপি প্রার্থী মাত্র ২ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটে এগিয়ে। ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াত ৯ দশমিক ৫ শতাংশ ভোটে এগিয়ে থাকলেও ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে; এখানে বিএনপি ৩ শতাংশ ভোটে এগিয়ে আছে।
ঢাকার বাইরের আসনগুলোর মধ্যে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে জামায়াত ২ দশমিক ৩ শতাংশ ভোটে এগিয়ে থেকে বিএনপির সঙ্গে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। সিলেট-৬ আসনেও একই চিত্র; সেখানে বিএনপি মাত্র ০ দশমিক ৭ শতাংশ ভোটে জামায়াতের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
জরিপকারী সংস্থা ‘সোচ্চার’ জানিয়েছে, এই ফলাফল মূলত ‘রিভিল্ড ভোট’ বা যারা সরাসরি মতামত প্রকাশ করেছেন তাদের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। তবে প্রতিটি আসনেই একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটার এখনো সিদ্ধান্তহীন বা ‘আনডিসাইডেড’ রয়েছেন। এই বিশাল অংশের ভোটাররাই শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন। ফলে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন ও শেষ মুহূর্তের সমীকরণে এই জরিপ ফলাফলে বড় ধরনের রদবদলের সম্ভাবনাও নাকচ করে দেয়নি সংস্থাটি।
রিপোর্টারের নাম 





















