অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে থাকার বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংস্থাটি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানিয়েছে, আগামী নির্বাচনে যদি কোনো ভোট কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, মারামারি বা সংঘবদ্ধভাবে ‘মোব’ চেষ্টার ঘটনা ঘটে, তবে শুধু ওই নির্দিষ্ট কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হবে না, বরং পুরো নির্বাচনী আসনের ভোট বাতিল করে পুনঃতফসিল ঘোষণা করা হবে।
ইসি সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, অতীতের বিভিন্ন নির্বাচনে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা বা অনিয়মের ঘটনা ঘটলে কেবল সেই কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হতো। কিন্তু এবার কমিশন আরও কঠোর পদক্ষেপের কথা ভাবছে, যাতে কোনো প্রার্থী বা তাদের সমর্থকরা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার সাহস না পায়। এই নতুন নির্দেশনাকে ইসির একটি কড়া বার্তা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এটি নির্বাচনী সহিংসতা দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
নির্বাচন কমিশনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নির্বাচনী আচরণবিধি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত ঐকমত্য হয়েছে। এর মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং একটি অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে ইসি বদ্ধপরিকর।
এই নির্দেশনার ফলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর চাপ বাড়বে। তাদের নিজ নিজ কর্মীদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা এবং কোনো ধরনের উস্কানি বা বিশৃঙ্খলায় জড়ানো থেকে বিরত রাখার দায়িত্ব আরও সুনির্দিষ্ট হলো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয় এবং ভোটের পবিত্রতা বজায় থাকে। কমিশন আশা করছে, সকল অংশীজনের সহযোগিতায় একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
রিপোর্টারের নাম 




















