জাতীয় নির্বাচনের ভোট দিতে চার দিনের লম্বা ছুটি পেয়ে গাজীপুর ছাড়ছেন লাখো পোশাক শ্রমিক। গতকাল সন্ধ্যা থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে একযোগে বিপুল সংখ্যক শ্রমজীবী মানুষের ঢল নামে, যার ফলে বিভিন্ন পয়েন্টে তীব্র যানজট ও যানবাহনের চাপ সৃষ্টি হয়। অনেকে অতিরিক্ত ভাড়া গুনেও বাড়ির পথে রওনা দিয়েছেন।
গাজীপুরের প্রায় সব পোশাক কারখানায় একযোগে ছুটি ঘোষণা করায় শ্রমিকরা এই সুযোগে নিজ নিজ এলাকায় ভোট দিতে যাচ্ছেন। গতকাল রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা-সফিপুর এবং বাড়ইপাড়া এলাকায় প্রায় ১০ কিলোমিটার জুড়ে তীব্র যানজট দেখা যায়, যা ঘরমুখো যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে ফেলে।
পোশাক শ্রমিকরা জানান, ভোটের ছুটিতে তারা বাড়িতে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চান। কিন্তু গত সন্ধ্যা থেকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তারা কাঙ্ক্ষিত যানবাহন পাচ্ছিলেন না। আজ সকালে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও, এই সুযোগে যানবাহন সংশ্লিষ্টরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে স্বল্প আয়ের শ্রমিকরা আরও বিপাকে পড়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শ্রমিক বলেন, “ভোট দিতে বাড়ি যাচ্ছি। কিন্তু অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে আছি, গাড়ি পাচ্ছি না। যা পাচ্ছি, তার ভাড়াও অনেক বেশি চাইছে। উপায় নেই, ভোট তো দিতেই হবে।” অধিকাংশ শ্রমিকই জানিয়েছেন, তারা নিজ নিজ এলাকার ভোটার হওয়ায় ভোট দিতেই এই কষ্ট স্বীকার করে বাড়ি ফিরছেন।
মহাসড়কে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের চন্দ্রা এলাকা দিয়ে উত্তরবঙ্গগামী শিল্প কারখানার শ্রমিকদের চাপ সবচেয়ে বেশি। এ কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রার আশপাশে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তবে ট্রাফিক পুলিশ মহাসড়ক সচল রাখতে এবং শ্রমিকদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























