## শিরোনাম: সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল আরও একবার পেছাল, এবার ১২৪তম বারের মতো
ঢাকা: সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়ে গেছে। আদালত আগামী ১ এপ্রিল নতুন তারিখ ধার্য করেছেন। এটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১২৪তম বারের মতো পেছানো হলো। সোমবার দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এই আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক, নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের সাব-ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম রাসেল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এই চাঞ্চল্যকর মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা হলেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনি দম্পতির বাড়ির দুই নিরাপত্তা রক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের পরিচিত তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর রহমান খান বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। অন্যদিকে, পলাশ রুদ্র পাল জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পলাতক হয়েছেন। বাকি অভিযুক্তরা কারাগারে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে তাদের নিজ বাসায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই ঘটনার পর নিহত মেহেরুন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রাথমিকভাবে মামলার তদন্তভার ওই থানার একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) এর উপর ন্যস্ত ছিল। তবে ঘটনার চার দিন পর, চাঞ্চল্যকর এই মামলাটির তদন্ত ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রায় দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে তদন্ত করেও রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি।
পরবর্তীতে, উচ্চ আদালতের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল মামলাটির তদন্তভার বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (র্যাব) কাছে হস্তান্তর করা হয়। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর, সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তের জন্য বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। আদালত ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশও দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে, মামলার তদন্ত থেকে র্যাবকে সরিয়ে দেওয়ার আদেশও দেওয়া হয়। গত বছরের ১৭ অক্টোবর, হাইকোর্টের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগ থেকে টাস্কফোর্স গঠনের একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এরপর পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিই বর্তমানে মামলার তদন্তের দায়িত্বে রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























