ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ অবরোধের কার্যকারিতা নিয়ে ধোঁয়াশা

ইরানি বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নৌ অবরোধের প্রথম পূর্ণ দিনে এর প্রকৃত প্রভাব নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর করার দাবি করলেও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পর্যবেক্ষক ও জাহাজ চলাচলের তথ্য বিশ্লেষণে ভিন্ন চিত্র ফুটে উঠেছে। মূলত প্রস্তুতির ঘাটতি এবং জাহাজের অবস্থান শনাক্তকারী ট্রান্সপন্ডার সিস্টেমে হস্তক্ষেপের কারণে এই অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

জাহাজ চলাচলের সর্বশেষ তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অবরোধ শুরুর পরও মঙ্গলবার ইরান সংশ্লিষ্ট অন্তত চারটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে দুটি জাহাজ সরাসরি ইরানি বন্দর থেকে যাত্রা করেছিল। এছাড়া ইরান সংশ্লিষ্ট নয় এমন আরও তিনটি জাহাজকে এই জলপথ দিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার দাবি করেছেন, ৩৬ ঘণ্টার কম সময়ের মধ্যে ইরানে আসা-যাওয়ার সব ধরনের বাণিজ্যিক পথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের নির্দেশ মেনে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজ গতিপথ পরিবর্তন করে পুনরায় ইরানি বন্দরে ফিরে গেছে। তবে ট্র্যাকিং ডাটা বলছে, অবরোধের নির্দেশনার পরও কিছু জাহাজ নিজেদের গন্তব্যের দিকে এগিয়ে গেছে। ফলে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর এই কঠোর অবস্থান আদতে কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে কৌতূহল ও বিশ্লেষণ চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রেমিট্যান্স সেবায় শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি: ‘গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ পেল ইসলামী ব্যাংক

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ অবরোধের কার্যকারিতা নিয়ে ধোঁয়াশা

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ইরানি বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নৌ অবরোধের প্রথম পূর্ণ দিনে এর প্রকৃত প্রভাব নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর করার দাবি করলেও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পর্যবেক্ষক ও জাহাজ চলাচলের তথ্য বিশ্লেষণে ভিন্ন চিত্র ফুটে উঠেছে। মূলত প্রস্তুতির ঘাটতি এবং জাহাজের অবস্থান শনাক্তকারী ট্রান্সপন্ডার সিস্টেমে হস্তক্ষেপের কারণে এই অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

জাহাজ চলাচলের সর্বশেষ তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অবরোধ শুরুর পরও মঙ্গলবার ইরান সংশ্লিষ্ট অন্তত চারটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে দুটি জাহাজ সরাসরি ইরানি বন্দর থেকে যাত্রা করেছিল। এছাড়া ইরান সংশ্লিষ্ট নয় এমন আরও তিনটি জাহাজকে এই জলপথ দিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার দাবি করেছেন, ৩৬ ঘণ্টার কম সময়ের মধ্যে ইরানে আসা-যাওয়ার সব ধরনের বাণিজ্যিক পথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের নির্দেশ মেনে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজ গতিপথ পরিবর্তন করে পুনরায় ইরানি বন্দরে ফিরে গেছে। তবে ট্র্যাকিং ডাটা বলছে, অবরোধের নির্দেশনার পরও কিছু জাহাজ নিজেদের গন্তব্যের দিকে এগিয়ে গেছে। ফলে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর এই কঠোর অবস্থান আদতে কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে কৌতূহল ও বিশ্লেষণ চলছে।