ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার তীব্র সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। এই সিদ্ধান্তকে ‘ষড়যন্ত্র’ ও ‘নব্য ফ্যাসিজম’ আখ্যা দিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কার ইশারায় এবং কার স্বার্থ রক্ষায় কমিশন এমন বিতর্কিত পদক্ষেপ নিয়েছে।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সাদিক কায়েম এসব মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি প্রত্যাহারের পর এখন মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে এক গভীর ষড়যন্ত্র বাস্তবায়িত হচ্ছে।
ডাকসু ভিপি বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ করার অর্থ হলো ভোটারদের ফোন বাড়িতে রেখে আসতে বাধ্য করা। এর ফলে নাগরিক সাংবাদিকতা বা ‘সিটিজেন জার্নালিজম’ পুরোপুরি বাধাগ্রস্ত হবে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ভোটকেন্দ্রে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বা কারচুপি ঘটলে তার কোনো তথ্য কিংবা ভিডিও ফুটেজ খোদ ভুক্তভোগীর কাছেও থাকবে না। নির্বাচন কমিশনের ওপর ভর করে কারা এই ধরনের বিধিনিষেধ জাতির ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশের তরুণ সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সাদিক কায়েম লেখেন, “কারা দেশের তরুণদের ভয় পায়? কারা নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখতে চায়? জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে যে তরুণরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব নিয়েছে, তাদেরই এখন আওয়াজ তুলতে হবে।”
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য হাসিল করা নির্বাচন কমিশনের কাজ নয়। কমিশনের মূল দায়িত্ব হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করা। জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার কেড়ে নিয়ে স্বচ্ছ নির্বাচন সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিলের জোর দাবি জানান।
রিপোর্টারের নাম 























