ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে সুবাতাস, বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫.২০ বিলিয়ন ডলারে

দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির খবর দিচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৩৫ দশমিক ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। রোববার (৩ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই হালনাগাদ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ৩ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ২০৪ দশমিক ৭৬ মিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বা বিপিএম-৬ অনুযায়ী, বর্তমানে রিজার্ভের প্রকৃত পরিমাণ ৩০ হাজার ৫১২ দশমিক ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এর আগে গত ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৫ হাজার ১১৭ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে তা ছিল ৩০ হাজার ৪৮৪ দশমিক ০১ মিলিয়ন ডলার। উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ গণনায় আইএমএফের নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়, যেখানে মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায়গুলো বাদ দিয়ে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরা হয়। রিজার্ভের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাকাত নিয়ে বিএনপি নেত্রীর বিতর্কিত মন্তব্য: হেফাজতে ইসলামের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড়

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে সুবাতাস, বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫.২০ বিলিয়ন ডলারে

আপডেট সময় : ০৯:১০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির খবর দিচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৩৫ দশমিক ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। রোববার (৩ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই হালনাগাদ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ৩ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ২০৪ দশমিক ৭৬ মিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বা বিপিএম-৬ অনুযায়ী, বর্তমানে রিজার্ভের প্রকৃত পরিমাণ ৩০ হাজার ৫১২ দশমিক ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এর আগে গত ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৫ হাজার ১১৭ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে তা ছিল ৩০ হাজার ৪৮৪ দশমিক ০১ মিলিয়ন ডলার। উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ গণনায় আইএমএফের নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়, যেখানে মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায়গুলো বাদ দিয়ে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরা হয়। রিজার্ভের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।