আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং তাদের নির্বাচনি এজেন্টদের যান চলাচলের ক্ষেত্রে বিশেষ নীতিমালা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অবাধ, সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে ইসি এই কঠোর নির্দেশনা প্রণয়ন করেছে, যা রোববার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
ইসির নতুন নির্দেশনায় যানবাহন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্তারোপ করা হয়েছে, যা ভোটগ্রহণের দিন কার্যকর থাকবে:
হালকা ও ছোট যানবাহনের ব্যবহার:
যানবাহনের সংখ্যা: প্রতিটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং তার নির্বাচনি এজেন্ট প্রত্যেকে ১টি করে জিপ, কার, মাইক্রোবাস অথবা সিএনজিচালিত অটোরিকশার মতো ছোট আকৃতির যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন।
আরোহীর সংখ্যা: প্রতিটি গাড়িতে চালকসহ (বৈধ লাইসেন্সধারী) সর্বোচ্চ ৫ জন আরোহী থাকতে পারবেন।
গানম্যানের অন্তর্ভুক্তি: প্রার্থীর নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত গানম্যানও উল্লিখিত ৫ জন আরোহীর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য হবেন।
দুর্গম ও নদীবেষ্টিত এলাকায় বিশেষ নিয়ম:
মোটরসাইকেল: যেসব দুর্গম এলাকায় ছোট গাড়ি চলাচল সম্ভব নয়, সেখানে প্রার্থী এবং তাঁর নির্বাচনি এজেন্ট প্রত্যেকে সর্বোচ্চ ২টি করে মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন। প্রতিটি মোটরসাইকেলে চালকসহ অনধিক ২ জন আরোহী থাকতে পারবেন।
নৌযান: নদীবেষ্টিত এলাকায় যাতায়াতের সুবিধার জন্য প্রার্থী ও এজেন্ট প্রত্যেকে ১টি করে নৌযান ব্যবহার করতে পারবেন, যেখানে চালকসহ সর্বোচ্চ ৫ জন আরোহী অবস্থান করতে পারবেন।
অনুমতি ও পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক:
যানবাহন ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রার্থী বা নির্বাচনি এজেন্টকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নিকট আবেদন করে আরোহীদের (প্রার্থী/এজেন্ট/গানম্যান ব্যতীত) জন্য পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে হবে।
এছাড়া, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত অনুমোদিত স্টিকার যানবাহনের সামনের কাঁচে দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক।
ভোটকেন্দ্রে প্রবেশাধিকার:
প্রার্থী ও নির্বাচনি এজেন্ট ব্যতীত তাদের সঙ্গে থাকা অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো অবস্থাতেই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। এই নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























