সেনাবাহিনী থেকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নে (র্যাব) পাঠানো পেশাদার সামরিক কর্মকর্তারা সেখানে গিয়ে ‘পেশাদার খুনি’ হিসেবে ফিরে আসতেন বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া। শতাধিক মানুষকে গুম ও খুনের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষী হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দি দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
রবিবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে (অপর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ) এই জবানবন্দি দেন সাবেক সেনাপ্রধান।
জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া তার জবানবন্দিতে বলেন, “যে বিষয়টি আমাকে সবচেয়ে বেশি ব্যথিত করত, তা হলো আমরা সেনাবাহিনী থেকে র্যাবে পেশাদার অফিসার পাঠাচ্ছি আর তারা পেশাদার খুনি হয়ে ফেরত আসছে।” এই পরিস্থিতি উপলব্ধি করে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন। তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, র্যাব, ডিজিএফআই (ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স) এবং বিজিবিতে (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) কোনো কর্মকর্তা পোস্টিংয়ে যাওয়ার আগে ও পরে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে হবে।
সাবেক সেনাপ্রধান আরও জানান, র্যাবে যোগ দিতে যাওয়া কর্মকর্তাদের তিনি বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করতেন। তাদের উদ্দেশে তিনি বলতেন, “নরহত্যা মহাপাপ এবং কাউকে হত্যা করলে তার পরিবারের অভিশাপ তোমার পরিবারের ওপর পড়বে।” এই নির্দেশনা ও সতর্কবাণী দিয়ে তিনি কর্মকর্তাদের মানবিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান জানাতেন।
রিপোর্টারের নাম 

























