বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় পৌর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ দাসকে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়ার ঘটনায় নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিভিন্ন মহল। অভিযোগ উঠেছে, শুধু ইন্দ্রজিৎ দাসই নন, আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা ও তাদের পরিবারের সদস্যদেরও প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং এবং পোলিং অফিসারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত ইন্দ্রজিৎ দাস বর্তমানে বাকেরগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি রঘুনাথপুর এম এ মালেক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। শুক্রবার বিকেলে উপজেলা অডিটোরিয়ামে প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তাকে অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে।
উপজেলা নির্বাচন অফিসের একটি সূত্রমতে, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আফরোজের স্বাক্ষরিত প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ তালিকায় ইন্দ্রজিৎ দাসের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে এবং এতে নির্বাচনী নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভোটাররা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইন্দ্রজিৎ দাসের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
অন্যদিকে, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আফরোজ জানান, যদি কোনো প্রিজাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।
এই বিষয়ে বরিশাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা এবং স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বর্তমানে সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























