মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ৮৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার নতুন মাদারীপুর এলাকায় দুটি বিবদমান পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে আলমগীর হাওলাদারকে (৫০) কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে নিহত আলমগীর হাওলাদারের স্ত্রী রেখে বেগম বাদী হয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানায় ৮৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার ভিত্তিতে পুলিশ এখন পর্যন্ত বোরহান ও মাসুদ নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, নতুন মাদারীপুর এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশসহ যৌথ বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন করা হয়েছে এবং তারা কাজ করছেন।
জানা গেছে, নতুন মাদারীপুর গ্রামের মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদার পক্ষ ও হাসান মুন্সী পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধের জের ধরেই এর আগেও একাধিকবার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
পূর্বে, এই দুই পক্ষের মধ্যে ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ শ্রমিক দলের পাল্টাপাল্টি কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। ওই সময় প্রতিপক্ষের হামলায় কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল হাসান মুন্সীর ভাই ও সদর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শাকিল মুন্সীকে।
রিপোর্টারের নাম 






















