নেপালে অনুষ্ঠিত সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের কাছে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হেরে শিরোপা জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে বাংলাদেশের মেয়েদের। টুর্নামেন্টের শুরু থেকে অপ্রতিরোধ্য থাকলেও শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে যেন ‘অচেনা’ এক দল হয়ে ধরা দেয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা, যার ফলশ্রুতিতে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো তাদের।
এই টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের মেয়েরা ছিল অপ্রতিরোধ্য। তিনটি ম্যাচেই দাপটের সঙ্গে জয় তুলে নিয়েছিল তারা, এমনকি শক্তিশালী ভারতকেও ২-০ গোলে পরাজিত করেছিল। কিন্তু শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে এসে দেখা যায় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক বাংলাদেশকে। এদিন মাঠের খেলায় কোনো আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। ছন্নছাড়া ফুটবল আর একাধিক ভুলের প্রদর্শনী দিয়ে শিরোপা হাতছাড়া করে তারা।
পোখারার এবড়োখেবড়ো মাঠের মান নিয়ে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই অভিযোগ ছিল। এই প্রতিকূল পরিবেশ এবং বাংলাদেশের গোলরক্ষক ও রক্ষণভাগের মারাত্মক ভুলের চড়া মাশুল দিতে হয় দলকে। খেলার প্রথমার্ধেই বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় ভারত। ৪২তম মিনিটে ফাঁকায় বল পেয়ে জালে জড়ান ভারতীয় অধিনায়ক নংমাইথেম।
দ্বিতীয়ার্ধেও ভারতের আক্রমণের ধার বজায় থাকে এবং তারা আরও তিনটি গোল আদায় করে নেয়। ৬৩তম মিনিটে লাকড়া, ৬৮তম মিনিটে ফার্নান্দেস এবং ৮৩তম মিনিটে রগুরামন গোল করে ভারতের ৪-০ গোলের বিশাল জয় নিশ্চিত করেন।
সাফের এই টুর্নামেন্টে নামার আগে কোচ পিটার বাটলার জানিয়েছিলেন, শিরোপা জেতা বাংলাদেশের মূল উদ্দেশ্য নয়। বরং আসন্ন এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বের জন্য ফুটবলারদের যাচাই করে নেওয়াই ছিল তার প্রধান পরিকল্পনা। তবে ফাইনালে যেভাবে ভারতের কাছে হারল বাংলাদেশের মেয়েরা, তা এই ইংলিশ কোচের নতুন ভাবনার জন্ম দিয়েছে এবং দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
টুর্নামেন্টে রানার্সআপ হলেও বাংলাদেশের আলপি আক্তার ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে নজর কেড়েছেন। দুটি হ্যাটট্রিকসহ ৭টি গোল করে তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার অর্জন করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























