ফাইনাল নিশ্চিত করার এক শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে দুর্বার। শেষ স্বীকৃত ব্যাটার নুরুল হাসান সোহানের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভর করে জাতীয় দলের মোড়কে থাকা ধূমকেতুকে ২ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের টিকিট কেটেছে দলটি।
জিতলে ফাইনাল, হারলে বিদায়—এমন সমীকরণ নিয়ে আজ মাঠে নামে ধূমকেতু ও দুর্বার। শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই শেষে শেষ হাসি হেসেছে দুর্বার। বিশেষ করে ম্যাচের শেষদিকে নুরুল হাসান সোহানের ব্যাটে রীতিমতো ঝড় ওঠে। শেষ দুই ওভারে জয়ের জন্য দুর্বারের প্রয়োজন ছিল ৩১ রান, হাতে ছিল ৩ উইকেট। এমন কঠিন সমীকরণে ক্রিজে ছিলেন নুরুল হাসান সোহান। ১৯তম ওভারে ব্যাট হাতে রীতিমতো তাণ্ডব চালান তিনি। ৪টি ছক্কা হাঁকিয়ে একাই তুলে নেন ২৬ রান, যা জয়ের পথ অনেকটাই মসৃণ করে দেয়। এতে শেষ ওভারে জয়ের জন্য মাত্র ৭ রানের প্রয়োজন পড়ে এবং ৩ বলে সেই লক্ষ্য পূরণ করে উল্লাসে মেতে ওঠে দুর্বার শিবির।
এর আগে ১৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একসময় ৪৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল দুর্বার। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন নুরুল হাসান সোহান। ৪৪ বলে ৭৬ রানের এক অসাধারণ ইনিংস খেলেন এই ডানহাতি ব্যাটার, যেখানে ছিল ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা। দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ রান আসে সাইফউদ্দিনের ব্যাট থেকে।
টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ধূমকেতু নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৬ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায়। দলের পক্ষে অধিনায়ক লিটন দাস ৩৭ বলে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন, যা ৫টি চারে সাজানো ছিল। এছাড়া সাইফ হাসান ২৮ এবং শেখ মাহেদি ৩১ রান (২ ছক্কা) যোগ করেন।
দুর্বারের হয়ে হাসান মাহমুদ ও তানভীর ইসলাম দুটি করে উইকেট শিকার করেন। জবাবে ধূমকেতুর বোলারদের মধ্যে শেখ মাহেদি বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত, মাত্র ১১ রান খরচায় ৪টি উইকেট তুলে নেন। রিশাদ হোসেন ৩২ রানে পান একটি উইকেট।
রিপোর্টারের নাম 

























