বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর হওয়া উচিত—এই প্রস্তাবনা বিএনপি তাদের ৩১ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে অনেক আগেই জাতির সামনে উপস্থাপন করেছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পরবর্তীতে সরকার গঠিত সংস্কার কমিশনসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনার প্রেক্ষাপটেও এই প্রস্তাবটি সর্বপ্রথম বিএনপি-ই দিয়েছিল এবং এটি নথিবদ্ধও রয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁও-এ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার সময় তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান জানান, বিএনপি সরকার গঠনে সক্ষম হলে আইনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর নির্ধারণের বিষয়টি প্রবর্তন করা হবে। তিনি বলেন, সাংবিধানিক সংস্কারের অনেক বিষয় রয়েছে এবং দেশের গণতান্ত্রিক ভিত্তি সুদৃঢ় করতে হলে ভোটাধিকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের মনে এই আস্থা রয়েছে যে, ১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালের নির্বাচনের মতো নিরপেক্ষ নির্বাচন কেবল একটি অরাজনৈতিক সরকার, অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারই নিশ্চিত করতে পারে। এই কারণেই বিএনপি তাদের ৩১ দফার অন্যতম প্রধান প্রস্তাবনা হিসেবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার কথা বলেছিল। এই প্রস্তাবটি পরবর্তীতে বিভিন্ন মহলে আলোচিত হয়েছে এবং বর্তমান সরকারের সংস্কার কমিশনেও এটি স্থান পেয়েছে।
তারেক রহমান জোর দিয়ে বলেন, প্রায় আড়াই বছর আগে স্বৈরাচারের সময়ে বিএনপি তাদের ৩১ দফা কর্মসূচিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছিল যে, বিএনপি দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে এবং সংসদে প্রয়োজনীয় শক্তি থাকলে তারা অবশ্যই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করবে। তিনি এই প্রস্তাবনার কৃতিত্ব বিএনপি-কেই দিতে চান।
এছাড়াও, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক ও আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি তাদের ৩১ দফার মাধ্যমে এই অনুচ্ছেদটিকে পর্যায়ক্রমিকভাবে একটি যৌক্তিক অবস্থানে নিয়ে আসার কথা বলেছিল এবং কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া এটি ধীরে ধীরে উন্মুক্ত করে দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 

























