ঢাকা ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

ডাকসুর সদস্য সর্বমিত্র চাকমার বিরুদ্ধে মানহানির আইনি নোটিশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অবৈধ দোকান থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগকে কেন্দ্র করে ‘মানহানিকর’ বক্তব্য ও অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে ডাকসুর সদস্য সর্বমিত্র চাকমাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি নুরুল গনি সগীরের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজমুস শাকিব এই নোটিশ প্রেরণ করেন।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। নুরুল গনি সগীর জানান, গত ২৪ জানুয়ারি ক্যাম্পাসে অবৈধ দোকান সংক্রান্ত একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলার চেষ্টা করা হয়।

এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে তিনি ২৫ জানুয়ারি একটি সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগকারীর প্রতি ১২ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “ঘোষিত সময়সীমা পার হয়ে তিন-চার দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট চিত্র উপস্থাপন করা হয়নি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বিষয়টি আইনিভাবে মোকাবেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এরই ধারাবাহিকতায় আমার আইনজীবীর মাধ্যমে আজ সর্বমিত্র চাকমার প্রতি একটি লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করা হয়েছে।”

আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্ট ও পরবর্তী বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে নুরুল গনি সগীরকে চাঁদাবাজ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। এসব অভিযোগের কারণে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলেও নোটিশে দাবি করা হয়।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি, বরং এসব বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে একজন শিক্ষার্থী নেতাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা। এতে দণ্ডবিধি অনুযায়ী মানহানি ও হয়রানিমূলক অপরাধের উপাদান রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

আইনি নোটিশে সর্বমিত্র চাকমাকে নোটিশ প্রাপ্তির ১০ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে মানহানিকর অভিযোগ প্রত্যাহার, সংশ্লিষ্ট পোস্ট ও বক্তব্য অপসারণ এবং নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় নুরুল গনি সগীর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন বলেও নোটিশে সতর্ক করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষা ও শিল্প খাতের দূরত্ব: দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বড় বাধা

ডাকসুর সদস্য সর্বমিত্র চাকমার বিরুদ্ধে মানহানির আইনি নোটিশ

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অবৈধ দোকান থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগকে কেন্দ্র করে ‘মানহানিকর’ বক্তব্য ও অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে ডাকসুর সদস্য সর্বমিত্র চাকমাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি নুরুল গনি সগীরের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজমুস শাকিব এই নোটিশ প্রেরণ করেন।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। নুরুল গনি সগীর জানান, গত ২৪ জানুয়ারি ক্যাম্পাসে অবৈধ দোকান সংক্রান্ত একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলার চেষ্টা করা হয়।

এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে তিনি ২৫ জানুয়ারি একটি সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগকারীর প্রতি ১২ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “ঘোষিত সময়সীমা পার হয়ে তিন-চার দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট চিত্র উপস্থাপন করা হয়নি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বিষয়টি আইনিভাবে মোকাবেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এরই ধারাবাহিকতায় আমার আইনজীবীর মাধ্যমে আজ সর্বমিত্র চাকমার প্রতি একটি লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করা হয়েছে।”

আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্ট ও পরবর্তী বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে নুরুল গনি সগীরকে চাঁদাবাজ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। এসব অভিযোগের কারণে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলেও নোটিশে দাবি করা হয়।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি, বরং এসব বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে একজন শিক্ষার্থী নেতাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা। এতে দণ্ডবিধি অনুযায়ী মানহানি ও হয়রানিমূলক অপরাধের উপাদান রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

আইনি নোটিশে সর্বমিত্র চাকমাকে নোটিশ প্রাপ্তির ১০ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে মানহানিকর অভিযোগ প্রত্যাহার, সংশ্লিষ্ট পোস্ট ও বক্তব্য অপসারণ এবং নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় নুরুল গনি সগীর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন বলেও নোটিশে সতর্ক করা হয়েছে।