লেখক মুহাম্মদ মহসীন আবুল কাশেম, চট্টগ্রাম কর্তৃক লিখিত এক মতামতে, ‘জুলাই’ মাসকে কেবল একটি পঞ্জিকা মাস হিসেবে না দেখে, এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক তাৎপর্যপূর্ণ বিপ্লবের স্মারক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিপ্লব দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা অপশক্তির dominance থেকে মুক্তি এবং রাষ্ট্রের আরোগ্য লাভের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বলে তিনি মনে করেন।
প্রখ্যাত কলামিস্ট গোলাম সোহরাওয়ার্দি স্যারের ‘জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো’ শীর্ষক উপসম্পাদকীয়র সূত্র ধরে লেখক বলেন, ১৯৭১ সালে অর্জিত বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি চব্বিশের জুলাইয়ে এক নতুন আরোগ্যের পথে যাত্রা শুরু করেছে। এই আরোগ্য হলো রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিস্তৃত ফ্যাসিবাদ ও ঔপনিবেশিক কাঠামো থেকে নিষ্কৃতি। জুলাই বিপ্লব এই অঞ্চলে বিরাজিত রুগ্নদশা ও ভগ্নাবস্থা থেকে মুক্তির দিশা দেখিয়েছে।
লেখক উল্লেখ করেন যে, জুলাই বিপ্লবের অভাবনীয় সাফল্যের ফলে জনরোষে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে খুনি হাসিনা দেশ ত্যাগে বাধ্য হন। এরপর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগেই ফ্যাসিস্ট সরকার কর্তৃক রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে নিগৃহীত, একাধিকবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার তাৎক্ষণিক মুক্তি ঘটে। এই বিপ্লব কেবল রাজনৈতিক মুক্তিই আনেনি, বরং অসংখ্য মজলুম ব্যক্তিত্বকেও অন্যায় কারাভোগ ও পুনর্বাসন থেকে মুক্তি দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























