ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি জামায়াতের কঠোর হুঁশিয়ারি: দিনাজপুরে বিশাল গণমিছিল

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে দিনাজপুরে এক বিশাল গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার জেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বক্তারা বর্তমান সরকার (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত বিএনপি সরকার) দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনরায় উপেক্ষা করছে বলে অভিযোগ করেন।

দিনাজপুর ইনস্টিটিউট মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দিনাজপুর জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য আফতাব উদ্দীন মোল্লা বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা সম্ভব হবে না। এ কারণেই বর্তমান সরকার এটি বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে।

জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাদ্দিস ড. এনামুল হক, সহকারী সেক্রেটারি ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সাইদুল ইসলাম সৈকত, দিনাজপুর-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ এ কে এম আফজালুল আনাম এবং দিনাজপুর সদর আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাইনুল আলম। এছাড়া ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারাও বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা আরও বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে না, একটি স্বাধীন গুম কমিশন চায় না এবং জুলুম-নির্যাতনের ধারা অব্যাহত রাখতে চায়, তারাই গণভোটের রায় মানতে রাজি নয়। তারা অবিলম্বে গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। দেশের ৭০ ভাগ মানুষ গণভোটে রায় দিলেও, সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে দীর্ঘদিন ধরে কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে সমাবেশে উল্লেখ করা হয়।

বক্তারা বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করতে হবে, এমনটা তাদের প্রত্যাশা ছিল না। দেশের ৭০ ভাগ মানুষের রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে জুলাই সনদ কার্যকর করার জন্য তারা সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। সমাবেশ শেষে দিনাজপুর ইনস্টিটিউট মাঠ থেকে একটি বিশাল গণমিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। এতে জামায়াতের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতায় সৌদি সামরিক জোটে বাংলাদেশ: কৌশলগত লাভ-ক্ষতির হিসাব

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি জামায়াতের কঠোর হুঁশিয়ারি: দিনাজপুরে বিশাল গণমিছিল

আপডেট সময় : ০২:১১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে দিনাজপুরে এক বিশাল গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার জেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বক্তারা বর্তমান সরকার (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত বিএনপি সরকার) দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনরায় উপেক্ষা করছে বলে অভিযোগ করেন।

দিনাজপুর ইনস্টিটিউট মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দিনাজপুর জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য আফতাব উদ্দীন মোল্লা বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা সম্ভব হবে না। এ কারণেই বর্তমান সরকার এটি বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে।

জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাদ্দিস ড. এনামুল হক, সহকারী সেক্রেটারি ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সাইদুল ইসলাম সৈকত, দিনাজপুর-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ এ কে এম আফজালুল আনাম এবং দিনাজপুর সদর আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাইনুল আলম। এছাড়া ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারাও বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা আরও বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে না, একটি স্বাধীন গুম কমিশন চায় না এবং জুলুম-নির্যাতনের ধারা অব্যাহত রাখতে চায়, তারাই গণভোটের রায় মানতে রাজি নয়। তারা অবিলম্বে গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। দেশের ৭০ ভাগ মানুষ গণভোটে রায় দিলেও, সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে দীর্ঘদিন ধরে কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে সমাবেশে উল্লেখ করা হয়।

বক্তারা বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করতে হবে, এমনটা তাদের প্রত্যাশা ছিল না। দেশের ৭০ ভাগ মানুষের রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে জুলাই সনদ কার্যকর করার জন্য তারা সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। সমাবেশ শেষে দিনাজপুর ইনস্টিটিউট মাঠ থেকে একটি বিশাল গণমিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। এতে জামায়াতের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।