ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

“সঞ্চয়পত্রের টাকা চুরি নিয়ে মতিঝিল থানায় একটা মামলা হয়েছে।”

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) মতিঝিল থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) মেজবাহ উদ্দিন সাহেব জানিয়েছেন যে, সঞ্চয়পত্রের টাকা চুরির যে ঘটনাটা ঘটেছে, সে ব্যাপারে মতিঝিল থানায় একটা মামলা করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, যারা এই কাজের সাথে জড়িত, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

ঘটনাটা হলো, গত ২৩ অক্টোবর একজন গ্রাহক বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনেছিলেন। ওই গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হলো অগ্রণী ব্যাংকের জাতীয় প্রেস ক্লাব শাখায়। কিন্তু কেনার মাত্র চার দিনের মাথাতেই তার সঞ্চয়পত্রের টাকা চুরির ঘটনাটা ঘটে।

একটা চক্র খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা থেকেই সঞ্চয়পত্রের ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। প্রাথমিকভাবে যা বোঝা যাচ্ছে, তা হলো—চক্রটা সম্ভবত বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভার হ্যাক করে প্রথমে গ্রাহকের তথ্য বদলে ফেলে। এরপর টাকাটা প্রথমে এনআরবিসি ব্যাংকের দিনাজপুরের একটা উপশাখায় পাঠায় (স্থানান্তর করে)। তারপর, সেই একই দিনে টাকাটা আবার ঢাকার শ্যামলী শাখায় এনে তুলে ফেলে।

এই চক্রটা একই বুদ্ধি খাটিয়ে (একই প্রক্রিয়ায়) ডাচ বাংলা ব্যাংক থেকে ৩০ লাখ আর এনআরবি ব্যাংকের আরেকটা অ্যাকাউন্ট থেকে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্ল্যান করেছিল। তবে, বাংলাদেশ ব্যাংক ওই দুটো জালিয়াতিই ধরে ফেলে এবং বন্ধ করে দেয়। এই পুরো ঘটনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটা তদন্ত কমিটিও তৈরি করেছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আলবানিজের পরিবারের মামলা: ফিলিস্তিন ইস্যুতে আইনি লড়াই

“সঞ্চয়পত্রের টাকা চুরি নিয়ে মতিঝিল থানায় একটা মামলা হয়েছে।”

আপডেট সময় : ০৩:২০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) মতিঝিল থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) মেজবাহ উদ্দিন সাহেব জানিয়েছেন যে, সঞ্চয়পত্রের টাকা চুরির যে ঘটনাটা ঘটেছে, সে ব্যাপারে মতিঝিল থানায় একটা মামলা করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, যারা এই কাজের সাথে জড়িত, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

ঘটনাটা হলো, গত ২৩ অক্টোবর একজন গ্রাহক বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনেছিলেন। ওই গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হলো অগ্রণী ব্যাংকের জাতীয় প্রেস ক্লাব শাখায়। কিন্তু কেনার মাত্র চার দিনের মাথাতেই তার সঞ্চয়পত্রের টাকা চুরির ঘটনাটা ঘটে।

একটা চক্র খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা থেকেই সঞ্চয়পত্রের ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। প্রাথমিকভাবে যা বোঝা যাচ্ছে, তা হলো—চক্রটা সম্ভবত বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভার হ্যাক করে প্রথমে গ্রাহকের তথ্য বদলে ফেলে। এরপর টাকাটা প্রথমে এনআরবিসি ব্যাংকের দিনাজপুরের একটা উপশাখায় পাঠায় (স্থানান্তর করে)। তারপর, সেই একই দিনে টাকাটা আবার ঢাকার শ্যামলী শাখায় এনে তুলে ফেলে।

এই চক্রটা একই বুদ্ধি খাটিয়ে (একই প্রক্রিয়ায়) ডাচ বাংলা ব্যাংক থেকে ৩০ লাখ আর এনআরবি ব্যাংকের আরেকটা অ্যাকাউন্ট থেকে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্ল্যান করেছিল। তবে, বাংলাদেশ ব্যাংক ওই দুটো জালিয়াতিই ধরে ফেলে এবং বন্ধ করে দেয়। এই পুরো ঘটনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটা তদন্ত কমিটিও তৈরি করেছে।