গোপালগঞ্জের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৮ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিজিবির একটি দল জেলায় এসে পৌঁছায়। সম্প্রতি জেলা সদরের বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় জনমনে ব্যাপক আতঙ্ক ও ভীতির সঞ্চার হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর, জেলা জজের বাসভবন এবং গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে রাতের বেলা ককটেল নিক্ষেপের পর থেকেই শহরে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছিল। এই পরিস্থিতিতে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি মোতায়েন অপরিহার্য হয়ে ওঠে।
এদিকে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জসহ মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও ফরিদপুর জেলায় পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসব এলাকাকে বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যেখানে ভোটের আগে ও ভোটের দিন নাশকতা, সহিংসতা এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই চার জেলার অতীতের রাজনৈতিক সংঘাত এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে ভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হামলা, সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনাগুলোকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
বিজিবির টুআইসি মেজর নূর উদ্দিন আহমাদ জানান, গোপালগঞ্জ সদর, কাশিয়ানী, কোটালীপাড়া, টুঙ্গিপাড়া ও মুকসুদপুর উপজেলায় বিজিবি পৃথক পৃথক ক্যাম্প স্থাপন করেছে। এসব ক্যাম্প থেকে ইতিমধ্যে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কসহ সকল উপজেলা এবং গোপালগঞ্জ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























