ঢাকা ১০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

নরসিংদীতে এনসিপি’র নির্বাচনি সমাবেশ: ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’য়ের অভিযোগ ও আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশের ডাক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

একটি নির্দিষ্ট দলকে ক্ষমতা আনার জন্য ২০০৮ সালের আদলে আবারও ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’য়ের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন ন্যাশনালিস্ট কো-অপারেটিভ পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। একইসাথে তিনি বাংলাদেশকে আধিপত্যবাদমুক্ত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নরসিংদীর ঘোড়াশাল পোস্ট অফিস মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এনসিপি’র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, গত ৫ আগস্টের পর দেশের আমূল সংস্কারের প্রয়োজন ছিল। ৩ আগস্ট জাতীয় শহীদ মিনারে আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম যে, এই গণঅভ্যুত্থান বা বিপ্লব কেবল একজন সরকার প্রধানকে অপসারণের জন্য নয়, বরং একটি ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের জন্য। তিনি অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থানের আগে যারা সংস্কারের জন্য ৩১ দফা ঘোষণা করেছিল, এখন তারাই নিজেদের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসছে এবং নির্বাচিত হলে এসব কথা রাখবে না। সাবেক সরকার প্রধানের ১০ টাকা কেজি চালের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থতার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ার সুযোগ হয়নি। দেশের জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম জানান, এনসিপি নির্বাচিত হলে এই খাতগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কার করবে।

সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, যে দলের নেতাকর্মীরা নিজেদের কাছেই নিরাপদ নয়, সেই দলের কাছে সাধারণ মানুষ কিভাবে নিরাপদ থাকবে? যারা অভিজ্ঞতার কথা বলছেন, তাদের গত ষোলো বছরের ব্যর্থতার কারণেই দেশ ফ্যাসিবাদী শাসনের অধীনে শোষিত হয়েছে। এখন তাদের অবসরে গিয়ে নতুন নেতৃত্বকে দেশ গড়ার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ পরিহার করে এগারো দলের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের ওপর থেকে আধিপত্যবাদ এখনো শেষ হয়ে যায়নি, তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করতে হবে।

এনসিপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, নরসিংদী ও পলাশে অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। ১১ দলীয় ঐক্য জোট নির্বাচিত হলে পরিবেশ রক্ষা করে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে স্থানীয় মানুষের চাকরির ব্যবস্থা করবে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছরে একদল যে পরিমাণ জুলুম-নির্যাতন চালিয়েছে, অপর একদল মাত্র ১৭ মাসে সমপরিমাণ নির্যাতন করেছে। যারা ক্ষমতাসীন দলকে নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে কথা বলছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পলাশের মানুষ তাদের বিরুদ্ধে রায় দেবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এনসিপি’র মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, একটি দলের চেয়ারম্যান বিভিন্ন কার্ডের কথা বললেও তিনি নিজেই নিজের পকেটে কার্ড খুঁজে পান না বা ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের পার্থক্য বোঝেন না। অথচ বাংলাদেশ সরকার একটি কার্ডের মাধ্যমে সকল নাগরিক সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি চাঁদাবাজ ও দখলদার মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। আগের গণভোটগুলো ক্ষমতা ও ব্যক্তির স্বার্থে হলেও এবারের গণভোট হবে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার গণভোট। চাঁদাবাজ, দখলদার ও ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাইলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া, তিনি নারী নির্যাতনের প্রকাশ্য ঘোষণা দেওয়া দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে মা-বোনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার কথা বলেন।

এনসিপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং নরসিংদী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্য জোট মনোনীত প্রার্থী সরোয়ার তুষার বলেন, নরসিংদীর পলাশে আর কোনো ‘পিএস পলিটিক্স’ চলবে না। আগামী ১২ তারিখ জুলুমের সাথে ইনসাফের লড়াই হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ১১ দলীয় জোটের জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর ঝিনাইগাতি উপজেলার সেক্রেটারিকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। সরোয়ার তুষার আরও অভিযোগ করেন, পলাশের বিভিন্ন জায়গায় একটি দল পূর্বের তুলনায় চাঁদাবাজি বাড়িয়ে দিয়েছে। টোল প্লাজা ও পলাশ-ঘোড়াশালের শিল্প এলাকায় বড় দলের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি শুরু করেছে। ১১ দলীয় ঐক্য জোট বিজয়ী হলে সকল চাঁদাবাজি থেকে মুক্তি মিলবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, পলাশ ও ঘোড়াশালে ভোট ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হলে নরসিংদীতে আবারও ‘জুলাই’ ফিরে আসবে। পলাশের ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ মাঠ দখলের চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে তার প্রথম কাজ হবে ঈদগাহকে দখলমুক্ত করা। তিনি মানুষকে চাকরি দেওয়ার এবং চাঁদাবাজি বন্ধ না করলে ১২ তারিখের পর চাঁদাবাজদের গারদে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি আরও বলেন, ‘শাপলা কলি’ বিজয়ী হলে পলাশ ও ঘোড়াশালের মানুষ শান্তিতে থাকবে। যারা নিজেদের দলের লোককে খুন করে, তারা কিভাবে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ করবে প্রশ্ন তুলে তিনি চাঁদাবাজি ও লাশের রাজনীতি হতে দেবেন না বলে জানান। শহীদ উসমান হাদীর বিচার হয়নি উল্লেখ করে তিনি শহীদ হাদীর ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নির্বাচনি সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন এনসিপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, যুব শক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলামসহ জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেসবুকে ফটোকার্ড শেয়ার নিয়ে শাহবাগ থানায় উত্তেজনা: ডাকসু নেতা ও সাংবাদিকদের মারধর করল ছাত্রদল

নরসিংদীতে এনসিপি’র নির্বাচনি সমাবেশ: ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’য়ের অভিযোগ ও আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশের ডাক

আপডেট সময় : ১০:০৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

একটি নির্দিষ্ট দলকে ক্ষমতা আনার জন্য ২০০৮ সালের আদলে আবারও ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’য়ের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন ন্যাশনালিস্ট কো-অপারেটিভ পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। একইসাথে তিনি বাংলাদেশকে আধিপত্যবাদমুক্ত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নরসিংদীর ঘোড়াশাল পোস্ট অফিস মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এনসিপি’র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, গত ৫ আগস্টের পর দেশের আমূল সংস্কারের প্রয়োজন ছিল। ৩ আগস্ট জাতীয় শহীদ মিনারে আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম যে, এই গণঅভ্যুত্থান বা বিপ্লব কেবল একজন সরকার প্রধানকে অপসারণের জন্য নয়, বরং একটি ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের জন্য। তিনি অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থানের আগে যারা সংস্কারের জন্য ৩১ দফা ঘোষণা করেছিল, এখন তারাই নিজেদের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসছে এবং নির্বাচিত হলে এসব কথা রাখবে না। সাবেক সরকার প্রধানের ১০ টাকা কেজি চালের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থতার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ার সুযোগ হয়নি। দেশের জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম জানান, এনসিপি নির্বাচিত হলে এই খাতগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কার করবে।

সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, যে দলের নেতাকর্মীরা নিজেদের কাছেই নিরাপদ নয়, সেই দলের কাছে সাধারণ মানুষ কিভাবে নিরাপদ থাকবে? যারা অভিজ্ঞতার কথা বলছেন, তাদের গত ষোলো বছরের ব্যর্থতার কারণেই দেশ ফ্যাসিবাদী শাসনের অধীনে শোষিত হয়েছে। এখন তাদের অবসরে গিয়ে নতুন নেতৃত্বকে দেশ গড়ার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ পরিহার করে এগারো দলের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের ওপর থেকে আধিপত্যবাদ এখনো শেষ হয়ে যায়নি, তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করতে হবে।

এনসিপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, নরসিংদী ও পলাশে অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। ১১ দলীয় ঐক্য জোট নির্বাচিত হলে পরিবেশ রক্ষা করে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে স্থানীয় মানুষের চাকরির ব্যবস্থা করবে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছরে একদল যে পরিমাণ জুলুম-নির্যাতন চালিয়েছে, অপর একদল মাত্র ১৭ মাসে সমপরিমাণ নির্যাতন করেছে। যারা ক্ষমতাসীন দলকে নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে কথা বলছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পলাশের মানুষ তাদের বিরুদ্ধে রায় দেবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এনসিপি’র মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, একটি দলের চেয়ারম্যান বিভিন্ন কার্ডের কথা বললেও তিনি নিজেই নিজের পকেটে কার্ড খুঁজে পান না বা ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের পার্থক্য বোঝেন না। অথচ বাংলাদেশ সরকার একটি কার্ডের মাধ্যমে সকল নাগরিক সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি চাঁদাবাজ ও দখলদার মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। আগের গণভোটগুলো ক্ষমতা ও ব্যক্তির স্বার্থে হলেও এবারের গণভোট হবে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার গণভোট। চাঁদাবাজ, দখলদার ও ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাইলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া, তিনি নারী নির্যাতনের প্রকাশ্য ঘোষণা দেওয়া দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে মা-বোনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার কথা বলেন।

এনসিপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং নরসিংদী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্য জোট মনোনীত প্রার্থী সরোয়ার তুষার বলেন, নরসিংদীর পলাশে আর কোনো ‘পিএস পলিটিক্স’ চলবে না। আগামী ১২ তারিখ জুলুমের সাথে ইনসাফের লড়াই হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ১১ দলীয় জোটের জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর ঝিনাইগাতি উপজেলার সেক্রেটারিকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। সরোয়ার তুষার আরও অভিযোগ করেন, পলাশের বিভিন্ন জায়গায় একটি দল পূর্বের তুলনায় চাঁদাবাজি বাড়িয়ে দিয়েছে। টোল প্লাজা ও পলাশ-ঘোড়াশালের শিল্প এলাকায় বড় দলের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি শুরু করেছে। ১১ দলীয় ঐক্য জোট বিজয়ী হলে সকল চাঁদাবাজি থেকে মুক্তি মিলবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, পলাশ ও ঘোড়াশালে ভোট ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হলে নরসিংদীতে আবারও ‘জুলাই’ ফিরে আসবে। পলাশের ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ মাঠ দখলের চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে তার প্রথম কাজ হবে ঈদগাহকে দখলমুক্ত করা। তিনি মানুষকে চাকরি দেওয়ার এবং চাঁদাবাজি বন্ধ না করলে ১২ তারিখের পর চাঁদাবাজদের গারদে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি আরও বলেন, ‘শাপলা কলি’ বিজয়ী হলে পলাশ ও ঘোড়াশালের মানুষ শান্তিতে থাকবে। যারা নিজেদের দলের লোককে খুন করে, তারা কিভাবে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ করবে প্রশ্ন তুলে তিনি চাঁদাবাজি ও লাশের রাজনীতি হতে দেবেন না বলে জানান। শহীদ উসমান হাদীর বিচার হয়নি উল্লেখ করে তিনি শহীদ হাদীর ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নির্বাচনি সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন এনসিপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, যুব শক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলামসহ জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।