কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এবং জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ অভিযোগ করেছেন যে, শেরপুর-৩ আসনে মাওলানা রেজাউল করিমের নিহত হওয়ার ঘটনা আসন্ন নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রেরই অংশ। বৃহস্পতিবার মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও একটি মহল আসলে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বললেও তারা সহিংসতার পথ বেছে নিচ্ছে। নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলেও নারীদের হেনস্তা করা হচ্ছে।
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, মাঠপর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়লেও সরকার এখনও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে পারেনি। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি দেশের বিভিন্ন আসনে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের প্রচারে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে বাধা দিচ্ছে।
হামিদুর রহমান আযাদ বিএনপির এমন আচরণকে তাদের চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মেনে নেবে না এবং ব্যালটের মাধ্যমে এর সমুচিত জবাব দেবে। একইসঙ্গে তিনি শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান।
গণসংযোগের অংশ হিসেবে হামিদুর রহমান আযাদ হোয়ানক ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি হরিয়ারছড়া, কালাগাজির পাড়া, খোরশাপাড়া, হোয়ানক টাইম বাজার, বানিয়াকাটা, বড়ছড়া বাজার, রাজুয়ার ঘোনা, কেরুনতলি বাজার, কালালিয়াকাটা, মুহুরাকাটা, পানিরছড়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে দেখা করে ১১ দলীয় জোটের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট প্রার্থনা করেন।
এ সময় সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, মহেশখালী উপজেলা দক্ষিণের নায়েবে আমির মাস্টার আজিজুল হক, মাস্টার আক্তার কামাল, হোয়ানক ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা আবুল মালেক, সেক্রেটারি সৈয়দ কবিরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 
























