ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ক্ষমতায় গেলে নারীদের কর্মঘণ্টা কমানোর প্রস্তাব নাকচ করলেন জামায়াত আমির

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সম্প্রতি এক বক্তব্যে ক্ষমতায় গেলে নারীদের কর্মঘণ্টা কমানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, তাদের দল রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে নারীদের কর্মঘণ্টা কমানোর কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে নারী কর্মীদের কর্মপরিবেশ এবং মাতৃত্বকালীন সুবিধার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, একজন মা যখন সন্তান ধারণ করেন, সন্তানকে লালন-পালন করেন এবং একই সময়ে পুরুষদের মতো সমান দায়িত্ব ও সমান সময় ধরে কর্মক্ষেত্রে অবদান রাখেন, তখন তা সব ক্ষেত্রে ন্যায়সংগত নাও হতে পারে। বিশেষ করে, স্তন্যদানকালীন সময়ে, সন্তান জন্ম দেওয়ার পর বা সন্তান লালন-পালনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপে একজন মাকে বিশেষ সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা অত্যাবশ্যক।

জামায়াত আমির আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে প্রচলিত ছয় মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি শিশুর সুষম বিকাশের জন্য যথেষ্ট নয়। তার মতে, একটি শিশু ছয় মাসে সম্পূর্ণভাবে বড় হয়ে ওঠে না, তাই এই সময়সীমা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। তিনি মনে করেন, মায়ের সুস্থ ও স্বাভাবিক পরিচর্যা শিশুর ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি স্থাপন করে এবং এর জন্য পর্যাপ্ত সময় ও সমর্থন প্রয়োজন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেসবুকে ফটোকার্ড শেয়ার নিয়ে শাহবাগ থানায় উত্তেজনা: ডাকসু নেতা ও সাংবাদিকদের মারধর করল ছাত্রদল

ক্ষমতায় গেলে নারীদের কর্মঘণ্টা কমানোর প্রস্তাব নাকচ করলেন জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ০৮:২৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সম্প্রতি এক বক্তব্যে ক্ষমতায় গেলে নারীদের কর্মঘণ্টা কমানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, তাদের দল রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে নারীদের কর্মঘণ্টা কমানোর কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে নারী কর্মীদের কর্মপরিবেশ এবং মাতৃত্বকালীন সুবিধার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, একজন মা যখন সন্তান ধারণ করেন, সন্তানকে লালন-পালন করেন এবং একই সময়ে পুরুষদের মতো সমান দায়িত্ব ও সমান সময় ধরে কর্মক্ষেত্রে অবদান রাখেন, তখন তা সব ক্ষেত্রে ন্যায়সংগত নাও হতে পারে। বিশেষ করে, স্তন্যদানকালীন সময়ে, সন্তান জন্ম দেওয়ার পর বা সন্তান লালন-পালনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপে একজন মাকে বিশেষ সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা অত্যাবশ্যক।

জামায়াত আমির আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে প্রচলিত ছয় মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি শিশুর সুষম বিকাশের জন্য যথেষ্ট নয়। তার মতে, একটি শিশু ছয় মাসে সম্পূর্ণভাবে বড় হয়ে ওঠে না, তাই এই সময়সীমা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। তিনি মনে করেন, মায়ের সুস্থ ও স্বাভাবিক পরিচর্যা শিশুর ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি স্থাপন করে এবং এর জন্য পর্যাপ্ত সময় ও সমর্থন প্রয়োজন।