দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ময়মনসিংহ ও নারায়ণগঞ্জের ২৭ জন নেতাকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বহিষ্কৃত এসব নেতাকর্মীকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থার কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংগঠনবিরোধী কাজে লিপ্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
বহিষ্কৃতদের তালিকায় ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলাধীন ভালুকা উপজেলার ৭ জন এবং নারায়ণগঞ্জের ২০ জন নেতা রয়েছেন। ভালুকা উপজেলার বহিষ্কৃত নেতারা হলেন—উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সালাহ উদ্দিন, মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ ও সারোয়ার জাহান এমরান; সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মামুন, আবু সাঈদ জয়েল ও নাইমুল করিম জান্নাত এবং জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির সদস্য মাওলানা মফিজুল ইসলাম।
অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি মাজেদুল ইসলাম, সহসভাপতি জি এম সাদরিল, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক কামরুজ্জামান শরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আকবর এবং সদস্য শামিম আহম্মেদ ঢালিকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই থানার বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে রয়েছেন—মুন্সি আলী আইয়ুব, মাসুদ করিম, শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, মোহাম্মদ আলী, মাসুদুজ্জামান মন্টু, মো. জিল্লুর রহমান, মো. জামাল প্রধান ও জামান মির্জা।
এছাড়া নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি বজলুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাদ্দাম হোসেন ও জিয়াউল ইসলাম চয়ন, সদস্য খন্দকার আবু জাফরসহ সোনারগাঁ পৌর বিএনপির সহসভাপতি পনির হোসেন এবং সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির রফিককেও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, তৃণমূল পর্যায়ে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে এবং সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বিএনপি। এরই অংশ হিসেবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এই গণবহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























