ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে শহীদদের সম্মানে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান হাবিবুর রশিদ হাবিবের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-৯ আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকা বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব ভোটারদের প্রতি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সশরীরে কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অনেক আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে এই নির্বাচনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাই দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা প্রত্যেকের নৈতিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর খিলগাঁও থানার ২ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোড়ান ছাপরা মসজিদ এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় হাবিবুর রশিদ হাবিব আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, “আমরা যদি নিজেদের এই দেশের প্রকৃত নাগরিক মনে করি এবং আমাদের সন্তানদের জন্য একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই, তবে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা ও ভোটারদের উপস্থিতির মাধ্যমেই বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে।”

নির্বাচন নিয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অশুভ শক্তিগুলো তৎপর রয়েছে। সাধারণ মানুষ যদি কেন্দ্রে না যায় এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ না করে, তবে ষড়যন্ত্রকারীরা দেশকে অস্থিতিশীল করার নতুন সুযোগ পাবে। এতে ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের টিকে থাকা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। তাই পছন্দের প্রার্থী যেই হোক না কেন, ভোটকেন্দ্রে যাওয়াই হবে শহীদদের প্রতি প্রকৃত সম্মান প্রদর্শন।

নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করে হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, “দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে আমাকে শতাধিক মিথ্যা মামলার আসামি হতে হয়েছে, সাতবার কারাবরণ করতে হয়েছে। এমনকি দুইবার আমাকে হত্যার চেষ্টাও করা হয়েছিল। এই ত্যাগ কোনো ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার জন্য নয়, বরং একটি শোষণমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য।”

ঢাকা-৯ নির্বাচনী এলাকার দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যাগুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, এই এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। এখানকার বাসিন্দারা গ্যাস সংকট, জলাবদ্ধতা ও জরাজীর্ণ রাস্তাঘাটের কারণে চরম ভোগান্তিতে আছেন। এছাড়া পর্যাপ্ত খেলার মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার ও প্রয়োজনীয় সেতুর অভাব রয়েছে। নির্বাচিত হলে স্থানীয় জনগণকে সাথে নিয়ে এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

একটি নিরাপদ, মানবিক ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, ইসলামি মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি উন্নত রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন নিয়ে তিনি কাজ করছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে জনরায়ের প্রতিফলন ঘটানোর আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেসবুকে ফটোকার্ড শেয়ার নিয়ে শাহবাগ থানায় উত্তেজনা: ডাকসু নেতা ও সাংবাদিকদের মারধর করল ছাত্রদল

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে শহীদদের সম্মানে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান হাবিবুর রশিদ হাবিবের

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা-৯ আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকা বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব ভোটারদের প্রতি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সশরীরে কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অনেক আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে এই নির্বাচনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাই দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা প্রত্যেকের নৈতিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর খিলগাঁও থানার ২ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোড়ান ছাপরা মসজিদ এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় হাবিবুর রশিদ হাবিব আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, “আমরা যদি নিজেদের এই দেশের প্রকৃত নাগরিক মনে করি এবং আমাদের সন্তানদের জন্য একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই, তবে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা ও ভোটারদের উপস্থিতির মাধ্যমেই বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে।”

নির্বাচন নিয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অশুভ শক্তিগুলো তৎপর রয়েছে। সাধারণ মানুষ যদি কেন্দ্রে না যায় এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ না করে, তবে ষড়যন্ত্রকারীরা দেশকে অস্থিতিশীল করার নতুন সুযোগ পাবে। এতে ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের টিকে থাকা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। তাই পছন্দের প্রার্থী যেই হোক না কেন, ভোটকেন্দ্রে যাওয়াই হবে শহীদদের প্রতি প্রকৃত সম্মান প্রদর্শন।

নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করে হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, “দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে আমাকে শতাধিক মিথ্যা মামলার আসামি হতে হয়েছে, সাতবার কারাবরণ করতে হয়েছে। এমনকি দুইবার আমাকে হত্যার চেষ্টাও করা হয়েছিল। এই ত্যাগ কোনো ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার জন্য নয়, বরং একটি শোষণমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য।”

ঢাকা-৯ নির্বাচনী এলাকার দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যাগুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, এই এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। এখানকার বাসিন্দারা গ্যাস সংকট, জলাবদ্ধতা ও জরাজীর্ণ রাস্তাঘাটের কারণে চরম ভোগান্তিতে আছেন। এছাড়া পর্যাপ্ত খেলার মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার ও প্রয়োজনীয় সেতুর অভাব রয়েছে। নির্বাচিত হলে স্থানীয় জনগণকে সাথে নিয়ে এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

একটি নিরাপদ, মানবিক ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, ইসলামি মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি উন্নত রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন নিয়ে তিনি কাজ করছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে জনরায়ের প্রতিফলন ঘটানোর আহ্বান জানান তিনি।