ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন এখন সময়ের দাবি: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বেইজিং সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে তিনি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। স্টারমার মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে চীনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক উন্নয়ন করা কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং ‘অত্যন্ত জরুরি’।

বৈঠক চলাকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক রাজনীতি ও অর্থনীতিতে চীন একটি প্রভাবশালী শক্তি। তাই বেইজিংয়ের সঙ্গে লন্ডনের একটি পরিণত ও বাস্তবসম্মত সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন। তিনি মনে করেন, এমন একটি কাঠামোগত সম্পর্ক গড়ে তোলা দরকার যেখানে উভয় দেশ পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করতে পারবে। পাশাপাশি যেসব বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে মতভিন্নতা রয়েছে, সেগুলো নিরসনে খোলামেলা ও অর্থবহ আলোচনার পথও উন্মুক্ত থাকবে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, কিয়ার স্টারমারের এই সফর এবং শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার এই আলাপচারিতা যুক্তরাজ্য ও চীনের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন প্রাণের সঞ্চার করতে পারে। বিশেষ করে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই বৈঠককে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে লন্ডন-বেইজিং সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাস ও লঞ্চে একচেটিয়া ভাড়া বৃদ্ধির পাঁয়তারা বন্ধের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন এখন সময়ের দাবি: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:৫৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বেইজিং সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে তিনি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। স্টারমার মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে চীনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক উন্নয়ন করা কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং ‘অত্যন্ত জরুরি’।

বৈঠক চলাকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক রাজনীতি ও অর্থনীতিতে চীন একটি প্রভাবশালী শক্তি। তাই বেইজিংয়ের সঙ্গে লন্ডনের একটি পরিণত ও বাস্তবসম্মত সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন। তিনি মনে করেন, এমন একটি কাঠামোগত সম্পর্ক গড়ে তোলা দরকার যেখানে উভয় দেশ পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করতে পারবে। পাশাপাশি যেসব বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে মতভিন্নতা রয়েছে, সেগুলো নিরসনে খোলামেলা ও অর্থবহ আলোচনার পথও উন্মুক্ত থাকবে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, কিয়ার স্টারমারের এই সফর এবং শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার এই আলাপচারিতা যুক্তরাজ্য ও চীনের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন প্রাণের সঞ্চার করতে পারে। বিশেষ করে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই বৈঠককে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে লন্ডন-বেইজিং সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।