ঢাকা ০১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

“ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে এক হাজতি মারা গেছেন।”

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার কেরানীগঞ্জে যে কেন্দ্রীয় কারাগার আছে, সেখানকার একজন হাজতি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, ওখানকার ডাক্তাররা তাকে মৃত বলে জানান।

যিনি মারা গেছেন, তার নাম নারায়ণ কুঞ্জ বিহারী, বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। তিনি বিকেলের দিকে কারাগারেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর, কারা কর্তৃপক্ষের কথামতো তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ডিউটিতে থাকা ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আমজাদ হোসেন জনি নামে একজন কারারক্ষী জানিয়েছেন যে, নারায়ণ কুঞ্জ বিহারী হাজতি হিসেবেই কারাগারে ছিলেন। তবে, ঠিক কোন মামলায় তিনি আটক ছিলেন, সেই বিষয়ে ওই কারারক্ষী কিছু জানাতে পারেননি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির যিনি ইনচার্জ আছেন, সেই পরিদর্শক মো. ফারুক জানিয়েছেন, লাশটা ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে জেল কর্তৃপক্ষকে খবর দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে প্রথমে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হবে, তারপর ময়নাতদন্ত হবে। ময়নাতদন্ত শেষ হলেই লাশটা তার পরিবারের কাছে তুলে দেওয়া হবে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আফগানিস্তানে আপাতত স্বস্তির নিশ্বাস, কাবুলসহ কিছু এলাকায় শান্তি

“ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে এক হাজতি মারা গেছেন।”

আপডেট সময় : ০৭:২০:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

ঢাকার কেরানীগঞ্জে যে কেন্দ্রীয় কারাগার আছে, সেখানকার একজন হাজতি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, ওখানকার ডাক্তাররা তাকে মৃত বলে জানান।

যিনি মারা গেছেন, তার নাম নারায়ণ কুঞ্জ বিহারী, বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। তিনি বিকেলের দিকে কারাগারেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর, কারা কর্তৃপক্ষের কথামতো তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ডিউটিতে থাকা ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আমজাদ হোসেন জনি নামে একজন কারারক্ষী জানিয়েছেন যে, নারায়ণ কুঞ্জ বিহারী হাজতি হিসেবেই কারাগারে ছিলেন। তবে, ঠিক কোন মামলায় তিনি আটক ছিলেন, সেই বিষয়ে ওই কারারক্ষী কিছু জানাতে পারেননি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির যিনি ইনচার্জ আছেন, সেই পরিদর্শক মো. ফারুক জানিয়েছেন, লাশটা ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে জেল কর্তৃপক্ষকে খবর দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে প্রথমে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হবে, তারপর ময়নাতদন্ত হবে। ময়নাতদন্ত শেষ হলেই লাশটা তার পরিবারের কাছে তুলে দেওয়া হবে।