ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

৪১তম বিসিএসের ১৪ জনকে নন-ক্যাডারে নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের: ৬০ দিনে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে

৪১তম বিসিএসে উত্তীর্ণ ১৪ জন প্রার্থীকে সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নন-ক্যাডার (৯ম গ্রেড) পদে নিয়োগ দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি উম্মে রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল যথাযথ ঘোষণা করে এই রায় দেন। এর আগে, গত ১৪ জানুয়ারি হাইকোর্ট ১৭০টি পদে কেন নিয়োগ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী বায়েজীদ হোসাইন, নাঈম সরদার, সোলায়মান তুষার ও আশরাফুল করিম সাগর। রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে উপস্থিত ছিলেন সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আইনজীবী গোলাম আহমেদ বুলবুল।

জানা যায়, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর ৪১তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (৯ম গ্রেড) সহকারী প্রকৌশলী (পুর) পদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের অধীনে ১৭০টি নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে একটি রিট আবেদন করা হয়। মো. নয়ন হাসানসহ ৭ জন প্রথমে এই রিট দায়ের করেন এবং পরবর্তীতে আরও ৭ জন এতে সংযুক্ত হন।

এই ১৪ জন আবেদনকারী হলেন মো. নয়ন হাসান, এ এফ এম মহিউদ্দিন আলমগীর, অনির্বাণ সাহা, আতিকুর রহমান, মো. তানজির হোসেন, সম্রাট বিশ্বাস, মাইশা তাহসিন, মো. খলিলুর রহমান, মো. হাফিজুর রহমান, আফিমা সুলতানা, অনির্বাণ সরকার, দেবাশীষ সরকার, মো. আব্দুল আউয়াল ও মো. আরিফুল ইসলাম।

রিট আবেদনকারীদের অভিযোগ ছিল, ৪১তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সহকারী প্রকৌশলী (পুর) নন-ক্যাডার (৯ম গ্রেড) পদের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অধিযাচন পাঠানো হলেও, নন-ক্যাডার পদের জন্য আবেদন আহ্বান ছাড়াই ২০২৩ সালের ৭ ডিসেম্বর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, শূন্যপদ ও অধিযাচন থাকা সাপেক্ষে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা থাকলেও, ৪১তম বিসিএস উত্তীর্ণদের ক্ষেত্রে তা করা হয়নি।

এই রিটে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, পিএসসির চেয়ারম্যান ও সচিব, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে বিবাদী করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির গণমাধ্যমকে বলেন, “দীর্ঘদিন শুনানি শেষে আদালত রুল অ্যাবসুলেট করে বিবাদীদের প্রতি নির্দেশনা জারি করেছেন। আশা করি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীরা যথাসময়ে আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবেন।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বইয়ের প্রতি তরুণ প্রজন্মকে আগ্রহী করে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

৪১তম বিসিএসের ১৪ জনকে নন-ক্যাডারে নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের: ৬০ দিনে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে

আপডেট সময় : ০৭:১৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

৪১তম বিসিএসে উত্তীর্ণ ১৪ জন প্রার্থীকে সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নন-ক্যাডার (৯ম গ্রেড) পদে নিয়োগ দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি উম্মে রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল যথাযথ ঘোষণা করে এই রায় দেন। এর আগে, গত ১৪ জানুয়ারি হাইকোর্ট ১৭০টি পদে কেন নিয়োগ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী বায়েজীদ হোসাইন, নাঈম সরদার, সোলায়মান তুষার ও আশরাফুল করিম সাগর। রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে উপস্থিত ছিলেন সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আইনজীবী গোলাম আহমেদ বুলবুল।

জানা যায়, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর ৪১তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (৯ম গ্রেড) সহকারী প্রকৌশলী (পুর) পদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের অধীনে ১৭০টি নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে একটি রিট আবেদন করা হয়। মো. নয়ন হাসানসহ ৭ জন প্রথমে এই রিট দায়ের করেন এবং পরবর্তীতে আরও ৭ জন এতে সংযুক্ত হন।

এই ১৪ জন আবেদনকারী হলেন মো. নয়ন হাসান, এ এফ এম মহিউদ্দিন আলমগীর, অনির্বাণ সাহা, আতিকুর রহমান, মো. তানজির হোসেন, সম্রাট বিশ্বাস, মাইশা তাহসিন, মো. খলিলুর রহমান, মো. হাফিজুর রহমান, আফিমা সুলতানা, অনির্বাণ সরকার, দেবাশীষ সরকার, মো. আব্দুল আউয়াল ও মো. আরিফুল ইসলাম।

রিট আবেদনকারীদের অভিযোগ ছিল, ৪১তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সহকারী প্রকৌশলী (পুর) নন-ক্যাডার (৯ম গ্রেড) পদের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অধিযাচন পাঠানো হলেও, নন-ক্যাডার পদের জন্য আবেদন আহ্বান ছাড়াই ২০২৩ সালের ৭ ডিসেম্বর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, শূন্যপদ ও অধিযাচন থাকা সাপেক্ষে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা থাকলেও, ৪১তম বিসিএস উত্তীর্ণদের ক্ষেত্রে তা করা হয়নি।

এই রিটে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, পিএসসির চেয়ারম্যান ও সচিব, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে বিবাদী করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির গণমাধ্যমকে বলেন, “দীর্ঘদিন শুনানি শেষে আদালত রুল অ্যাবসুলেট করে বিবাদীদের প্রতি নির্দেশনা জারি করেছেন। আশা করি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীরা যথাসময়ে আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবেন।”