দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৩ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।
এদিন শুনানির শুরুতে আনিস আলমগীরকে আদালতে হাজির করে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। আদালত আবেদন মঞ্জুর করলে কাঠগড়ায় দাঁড়ানো অবস্থায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক। এক পর্যায়ে তাকে নীরবে অশ্রু বিসর্জন দিতে দেখা যায়। এ সময় তার পাশে থাকা আইনজীবীরা তাকে সান্ত্বনা দেন এবং মানসিকভাবে শক্ত থাকার পরামর্শ দেন।
আদালতে আনিস আলমগীরের পক্ষে আইনজীবী নাজনীন নাহার শুনানিতে অংশ নেন। তিনি আদালতকে জানান, মামলায় তার মক্কেলের যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে, সেটি বর্তমান ঠিকানা নয় বরং অনেক পুরনো। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সঠিক তথ্য সংরক্ষণের জন্য তিনি স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের একটি আবেদন দাখিল করেন।
শুনানি চলাকালে আইনজীবী নাজনীন নাহার আসামিকে লক্ষ্য করে বলেন, প্রতিকূল এই পরিস্থিতিতে তাকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। তিনি ভেঙে পড়লে তার পরিবারের সদস্যরাও মনোবল হারিয়ে ফেলবেন। তাই আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাকে সাহসী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আদালতের কার্যক্রম শেষে বিচারক আনিস আলমগীরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর পুলিশি পাহারায় তাকে কাঠগড়া থেকে আদালত সংশ্লিষ্ট হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকেই তাকে জেলহাজতে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
রিপোর্টারের নাম 

























