ঢাকা ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের ২২৪ প্রার্থী: আলোচনায় সর্বকনিষ্ঠ আমির হামজা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছে। এবারের নির্বাচনে অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জামায়াতে ইসলামী ২২৪টি আসনে একক প্রার্থী দিয়েছে। দলটির প্রার্থী তালিকায় যেমন অভিজ্ঞ প্রবীণদের প্রাধান্য রয়েছে, তেমনি নজর কেড়েছে একঝাঁক তরুণ ও উচ্চশিক্ষিত মুখ। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জামায়াতের মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে ২০১ জনই উচ্চশিক্ষিত।

নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে প্রার্থীদের হলফনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও প্রার্থীদের বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, আয়ের উৎস ও সম্পদসহ ১০টি বিষয়ের তথ্য সম্বলিত হলফনামা জমা দিতে হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া সেই হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রার্থীদের বিস্তারিত পরিচয় সামনে এসেছে।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী তালিকায় এবার বয়সের দিক থেকে সবচেয়ে প্রবীণ হিসেবে রয়েছেন দুইজন। তারা হলেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের মিজানুর রহমান এবং গোপালগঞ্জ-১ আসনের মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মোল্লা। এই দুই নেতার বর্তমান বয়স ৭৭ বছর। অন্যদিকে, দলটির প্রার্থী তালিকার সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে আলোচনায় এসেছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের আমির হামজা। হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার বর্তমান বয়স ৩৩ বছর ২ মাস। পেশাগত জীবনে আমির হামজা একজন জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা হিসেবে পরিচিত।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে বড় দলগুলোর মধ্যে এককভাবে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি; তারা ২৮৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৫৩টি আসনে এবং জামায়াতে ইসলামী ২২৪টি আসনে তাদের প্রার্থী নিশ্চিত করেছে। নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে।

অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে বাম ধারার দল সিপিবির ৬৫ জন এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ৩৯ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ৩৪ জন, খেলাফত মজলিসের ২১ জন, গণ অধিকার পরিষদের ৯০ জন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ৩০ জন, গণফোরামের ১৯ জন, গণসংহতি আন্দোলনের ১৭ জন এবং নাগরিক ঐক্যের ১১ জন প্রার্থী এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীদের হলফনামার এই তথ্যগুলো ভোটারদের মাঝে প্রার্থীর যোগ্যতা ও স্বচ্ছতা যাচাইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের মাঝেই তিউনিসিয়ার কোচের বিদায়: দায়িত্ব হার্ভে রেনার্ডের কাঁধে

সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের ২২৪ প্রার্থী: আলোচনায় সর্বকনিষ্ঠ আমির হামজা

আপডেট সময় : ১১:২৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছে। এবারের নির্বাচনে অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জামায়াতে ইসলামী ২২৪টি আসনে একক প্রার্থী দিয়েছে। দলটির প্রার্থী তালিকায় যেমন অভিজ্ঞ প্রবীণদের প্রাধান্য রয়েছে, তেমনি নজর কেড়েছে একঝাঁক তরুণ ও উচ্চশিক্ষিত মুখ। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জামায়াতের মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে ২০১ জনই উচ্চশিক্ষিত।

নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে প্রার্থীদের হলফনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও প্রার্থীদের বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, আয়ের উৎস ও সম্পদসহ ১০টি বিষয়ের তথ্য সম্বলিত হলফনামা জমা দিতে হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া সেই হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রার্থীদের বিস্তারিত পরিচয় সামনে এসেছে।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী তালিকায় এবার বয়সের দিক থেকে সবচেয়ে প্রবীণ হিসেবে রয়েছেন দুইজন। তারা হলেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের মিজানুর রহমান এবং গোপালগঞ্জ-১ আসনের মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মোল্লা। এই দুই নেতার বর্তমান বয়স ৭৭ বছর। অন্যদিকে, দলটির প্রার্থী তালিকার সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে আলোচনায় এসেছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের আমির হামজা। হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার বর্তমান বয়স ৩৩ বছর ২ মাস। পেশাগত জীবনে আমির হামজা একজন জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা হিসেবে পরিচিত।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে বড় দলগুলোর মধ্যে এককভাবে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি; তারা ২৮৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৫৩টি আসনে এবং জামায়াতে ইসলামী ২২৪টি আসনে তাদের প্রার্থী নিশ্চিত করেছে। নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে।

অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে বাম ধারার দল সিপিবির ৬৫ জন এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ৩৯ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ৩৪ জন, খেলাফত মজলিসের ২১ জন, গণ অধিকার পরিষদের ৯০ জন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ৩০ জন, গণফোরামের ১৯ জন, গণসংহতি আন্দোলনের ১৭ জন এবং নাগরিক ঐক্যের ১১ জন প্রার্থী এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীদের হলফনামার এই তথ্যগুলো ভোটারদের মাঝে প্রার্থীর যোগ্যতা ও স্বচ্ছতা যাচাইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।