দুদক সূত্র জানিয়েছে, কমিশনের অনুমোদন পাওয়ার পর আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) এই মামলাটি করা হয়েছে।
দুদক জানাচ্ছে, গণ-অভ্যুত্থানের পরই নাঈমুল ইসলাম খান ও তার স্ত্রীর অবৈধ সম্পদ খোঁজার কাজ শুরু হয়। তদন্তের অংশ হিসেবে দুদক তাদের কাছে সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছিল। কিন্তু তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই হিসাব জমা দেননি, আর একারণেই তাদের বিরুদ্ধে দুদক আইনে মামলা করা হলো।
এর পাশাপাশি, তাদের অবৈধ সম্পদের খোঁজে যে অনুসন্ধান চলছে, সেটাও চালু আছে।
সাংবাদিক নাঈমুল ইসলাম খান ক্ষমতা থেকে অপসারিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেস সচিবের দায়িত্বে ছিলেন। গণ-অভ্যুত্থানের দিনগুলোতে তিনি আগের সরকারের পক্ষে গণমাধ্যমে সবচেয়ে সক্রিয় মুখগুলোর একজন ছিলেন। পট বদলের পর থেকেই দুদক তার সম্পদের খোঁজে তদন্ত শুরু করে।
কিছুদিন আগেই আদালতের এক আদেশে নাঈমুল ইসলাম, তার স্ত্রী এবং তাদের সন্তানদের মোট ১৬৩টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।
এদিকে, আজ একই দিনে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে লোক নিয়োগে জালিয়াতির এক ঘটনায় সাবেক মহাপরিচালক ড. রফিকুল ইসলাম মন্ডলসহ মোট ৪৪ জনের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুদক।
অভিযোগ উঠেছে যে, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় পাস না করা সত্ত্বেও ৪২ জনকে বৈজ্ঞানিক সহকারী পদে চাকরি দেওয়া হয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 


















