ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

‘হাঁস’ প্রতীকে নির্বাচনী মাঠে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, ভোটারদের ভালোবাসাই শক্তি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিবের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের (দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে) বিদ্রোহী প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি ‘হাঁস’ প্রতীক পেয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে প্রতীক বরাদ্দের চিঠি হস্তান্তর করেন।

প্রতীক বরাদ্দের পর ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমার ভোটার, কর্মী ও সমর্থকরাই আমার কাছে প্রাণের চেয়েও প্রিয়। তাঁরাই আমাকে এই অবস্থানে এনেছেন।” তিনি আরও বলেন, “ছোট ছোট শিশুরা আমাকে দেখলেই ‘আমাদের হাঁস মার্কা’ বলে চিৎকার করে। তাই এই প্রতীক শুধু আমার নয়, এটি আমার ভোটারদের প্রতীক।”

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের একটি ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, “একসময় আমি হাঁস পালন করতাম। আমার পালিত হাঁস চুরি হওয়ার পর আমি আইনি ব্যবস্থা নিয়েছিলাম এবং চোরকে শাস্তি পেতে হয়েছিল।” তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, “আমার এই ‘হাঁস’ প্রতীক যদি কেউ চুরি করার বা এর অমর্যাদা করার চেষ্টা করে, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি নিজেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাধারণ মানুষের প্রার্থী হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “যদি ভোটাররা আমাকে নির্বাচিত করেন, তবে তাঁদের চাওয়া অনুযায়ী এবং তাঁদের নির্দেশনায় এই এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করব।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের কারাবন্দি জীবনের দুই দশক: এক কঠিন যাত্রার স্মরণ

‘হাঁস’ প্রতীকে নির্বাচনী মাঠে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, ভোটারদের ভালোবাসাই শক্তি

আপডেট সময় : ১০:৪৭:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিবের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের (দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে) বিদ্রোহী প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি ‘হাঁস’ প্রতীক পেয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে প্রতীক বরাদ্দের চিঠি হস্তান্তর করেন।

প্রতীক বরাদ্দের পর ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমার ভোটার, কর্মী ও সমর্থকরাই আমার কাছে প্রাণের চেয়েও প্রিয়। তাঁরাই আমাকে এই অবস্থানে এনেছেন।” তিনি আরও বলেন, “ছোট ছোট শিশুরা আমাকে দেখলেই ‘আমাদের হাঁস মার্কা’ বলে চিৎকার করে। তাই এই প্রতীক শুধু আমার নয়, এটি আমার ভোটারদের প্রতীক।”

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের একটি ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, “একসময় আমি হাঁস পালন করতাম। আমার পালিত হাঁস চুরি হওয়ার পর আমি আইনি ব্যবস্থা নিয়েছিলাম এবং চোরকে শাস্তি পেতে হয়েছিল।” তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, “আমার এই ‘হাঁস’ প্রতীক যদি কেউ চুরি করার বা এর অমর্যাদা করার চেষ্টা করে, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি নিজেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাধারণ মানুষের প্রার্থী হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “যদি ভোটাররা আমাকে নির্বাচিত করেন, তবে তাঁদের চাওয়া অনুযায়ী এবং তাঁদের নির্দেশনায় এই এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করব।”