জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোট থেকে চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বেরিয়ে যাওয়ায় শরিক দলগুলোর মধ্যে নতুন করে আসন ভাগাভাগির সমীকরণ শুরু হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের জন্য বরাদ্দ রাখা ৪৪টি আসন থেকে এখন ভাগ চাইছে এনসিপি এবং মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। জোটের এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জামায়াত এনসিপিকে ৩০টি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে ২০টি আসন ছাড়তে প্রাথমিকভাবে সম্মত হয়েছে। তবে শরিক দল দুটি আরও অতিরিক্ত আসন পাওয়ার জন্য জামায়াতের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
এনসিপি ইতোমধ্যে ৪৪টি আসনে প্রার্থী দিলেও জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে ২৭টি আসনে তাদের প্রার্থিতা চূড়ান্ত হয়েছে। দলটি এখন আরও ১০টি আসন দাবি করছে। অন্যদিকে, ৯৪টি আসনে প্রার্থী দেওয়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ১৬টি আসনে রিকশা প্রতীকে জোটের সমর্থন নিশ্চিত করেছে। ইসলামী আন্দোলন জোট ছাড়ার পর মামুনুল হকের দল অন্তত ২৫টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে ফরিদপুর-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর অনুপস্থিতিতে খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর লড়াই এখন অনেকটাই নিশ্চিত। জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনি বা রবিবারের মধ্যে আসন বণ্টনের এই চূড়ান্ত তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।
জোটের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তাদের অগ্রাধিকার তালিকার আসন না পাওয়ায় গত শুক্রবার জোট ত্যাগের ঘোষণা দেয়। পিরোজপুর-৩ সহ বেশ কিছু পছন্দের আসন জামায়াত এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়ায় চরমোনাই পীরের দল ক্ষুব্ধ হয়। বর্তমানে ১০ দলীয় এই জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানিয়েছেন, ইসলামী আন্দোলনের ছেড়ে যাওয়া আসনগুলোতে এনসিপি বা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভাগ বাড়বে কি না, তা আলোচনার মাধ্যমেই ঠিক করা হবে। ২০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময়ের আগেই এই জট খোলার চেষ্টা করছে জোটের শীর্ষ নেতৃত্ব।
রিপোর্টারের নাম 

























