ঢাকা ০৩:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ইসরাইলি অর্থায়নের অভিযোগ তুলে গণঅধিকার পরিষদ ছাড়লেন ড. রেজা কিবরিয়া

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন ড. রেজা কিবরিয়া। তিনি অভিযোগ করেছেন, যে দল ইসরাইলি অর্থায়নে পরিচালিত হয়, সেই দলে তার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়।

ড. রেজা কিবরিয়া জোর দিয়ে বলেন, “যেখানে ইসরাইলিদের অধীনে তারা চলে, ইসরাইলিদের টাকায় যে দল চলে, আমি সেখানে থাকতে পারি না।” তিনি উল্লেখ করেন, এই বিষয়টি তিনি শুরু থেকে জানতেন না। পরবর্তীতে গণমাধ্যমের সূত্র ধরে কয়েকটি বৈঠকের তথ্য প্রকাশ্যে আসে। এরপর ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে মন্তব্য করেন যে, নুরুল হক নূরের সঙ্গে তিনটি ভিন্ন স্থানে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের বৈঠক হয়েছে। এই তথ্যগুলো পাওয়ার পরই তিনি বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পেরেছেন বলে জানান।

একাধিকবার দল বদলের প্রসঙ্গ উঠলে ড. রেজা কিবরিয়া তার অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, প্রথমে তিনি গণফোরামে ছিলেন। তবে সেখানে দলের মধ্যে কোন্দল দেখা দেয়, বিশেষ করে একজন সংসদ সদস্যের শপথ গ্রহণ নিয়ে দল বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক পক্ষ সংসদ বর্জন করার পক্ষে ছিল, অন্য পক্ষ সংসদ সদস্যকে সংসদে যোগদানের কথা বলেছিল।

গণফোরাম ছাড়ার পর প্রয়াত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অনুরোধে তিনি গণঅধিকার পরিষদে যোগ দেন। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সাহেব আমাকে খুব জোর দিয়েছিলেন ওখানে যেতে। আমি সেখানে কিছুদিন ছিলাম, কিন্তু (ইসরাইলি অর্থায়নের বিষয়টি জানার পর) আমার সেখানে থাকার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় যুবশক্তির ঢাকা মহানগরের চার ইউনিটে নতুন কমিটি ঘোষণা

ইসরাইলি অর্থায়নের অভিযোগ তুলে গণঅধিকার পরিষদ ছাড়লেন ড. রেজা কিবরিয়া

আপডেট সময় : ১০:৩২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন ড. রেজা কিবরিয়া। তিনি অভিযোগ করেছেন, যে দল ইসরাইলি অর্থায়নে পরিচালিত হয়, সেই দলে তার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়।

ড. রেজা কিবরিয়া জোর দিয়ে বলেন, “যেখানে ইসরাইলিদের অধীনে তারা চলে, ইসরাইলিদের টাকায় যে দল চলে, আমি সেখানে থাকতে পারি না।” তিনি উল্লেখ করেন, এই বিষয়টি তিনি শুরু থেকে জানতেন না। পরবর্তীতে গণমাধ্যমের সূত্র ধরে কয়েকটি বৈঠকের তথ্য প্রকাশ্যে আসে। এরপর ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে মন্তব্য করেন যে, নুরুল হক নূরের সঙ্গে তিনটি ভিন্ন স্থানে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের বৈঠক হয়েছে। এই তথ্যগুলো পাওয়ার পরই তিনি বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পেরেছেন বলে জানান।

একাধিকবার দল বদলের প্রসঙ্গ উঠলে ড. রেজা কিবরিয়া তার অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, প্রথমে তিনি গণফোরামে ছিলেন। তবে সেখানে দলের মধ্যে কোন্দল দেখা দেয়, বিশেষ করে একজন সংসদ সদস্যের শপথ গ্রহণ নিয়ে দল বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক পক্ষ সংসদ বর্জন করার পক্ষে ছিল, অন্য পক্ষ সংসদ সদস্যকে সংসদে যোগদানের কথা বলেছিল।

গণফোরাম ছাড়ার পর প্রয়াত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অনুরোধে তিনি গণঅধিকার পরিষদে যোগ দেন। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সাহেব আমাকে খুব জোর দিয়েছিলেন ওখানে যেতে। আমি সেখানে কিছুদিন ছিলাম, কিন্তু (ইসরাইলি অর্থায়নের বিষয়টি জানার পর) আমার সেখানে থাকার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।”