আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে অপরাধজগত বা আন্ডারওয়ার্ল্ড। নির্বাচনে প্রভাব ধরে রাখতে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে সরিয়ে দিতে পেশাদার কিলার ও শুটারদের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।
জাতীয় নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, রাজনৈতিক অঙ্গনে আন্ডারওয়ার্ল্ডের গুরুত্ব ও তৎপরতা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক গুলি ও খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত হচ্ছে অপরাধজগতের সহযোগী পেশাদার শুটার ও কিলার গ্রুপ। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, রাজনৈতিক মাঠের বাইরে অপরাধী চক্রগুলোও এখন প্রতিপক্ষ নিধনে নামছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর দফায় দফায় জরুরি বৈঠক করলেও মাঠপর্যায়ে অপরাধ দমনে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই, যা সাধারণ ভোটার ও নাগরিকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
সম্প্রতি রাজধানীর ফার্মগেটের তেজতুরী বাজার এলাকায় ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মোসাব্বির হত্যাকাণ্ডে পেশাদার কিলার গ্রুপের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। গোয়েন্দা তথ্যমতে, একজন রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি বিদেশে পলাতক দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর মাধ্যমে এই খুন করিয়েছেন। প্রথমে ভারতে অবস্থানরত শীর্ষ সন্ত্রাসী আশিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং পরে মালয়েশিয়ায় পলাতক ‘দাদা বিনাশ’ ওরফে দীলিপের মাধ্যমে কিলিং মিশনটি বাস্তবায়ন করা হয়। শুধু এটিই নয়, পুরানা পল্টনে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করার পেছনেও একই ধরনের পেশাদার সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক জড়িত বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, শীর্ষ সন্ত্রাসীরা সরাসরি মাঠে না নেমে আড়াল থেকে অপারেশন নিয়ন্ত্রণ করছে। দুবাই পলাতক জিসান আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র পলাতক মেহেদী হাসান ওরফে কলিন্স, শ্রীলঙ্কায় পালিয়ে থাকা শাহাজাদা এবং সুইডেনে অবস্থানরত শাহাদাত হোসেনের মতো দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীরা নির্বাচনের স্বার্থে বিশেষ বিশেষ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। মোহাম্মদপুর এলাকায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এমন এক প্রার্থীর হয়ে সবকিছু দেখভাল করছেন কম্বোডিয়ায় থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ওরফে ক্যাপ্টেন। এমনকি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পদ পাইয়ে দেওয়ার মাধ্যমে অপরাধীদের পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
অপরাধ দমনে ১৩ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে শুরু হয়েছে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’। ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত এ অভিযানে ১৬ হাজারেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হলেও পেশাদার ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ধরার ক্ষেত্রে বড় কোনো সাফল্য নেই। অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামান্য শিথিলতাও অপরাধীদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। বিশেষ করে নির্বাচ
রিপোর্টারের নাম 

























