ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ইরানে বিক্ষোভকারীদের পাশে ট্রাম্প: রাজপথে থাকার আহ্বান, ‘সাহায্য আসছে’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাদের রাজপথে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি ‘সাহায্য আসছে’ বলেও আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প লেখেন, ‘ইরানের দেশপ্রেমিকরা, বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখলে নিন। হত্যাকারী ও নিপীড়কদের নাম সংরক্ষণ করুন। তাদেরকে চড়া মূল্য দিতে হবে। কাণ্ডজ্ঞানহীন এই হত্যাযজ্ঞ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সবরকম বৈঠক বাতিল করেছি। সাহায্য পৌঁছানোর পথে রয়েছে।’ তবে এই ‘সহায়তা’ ঠিক কী ধরনের এবং কখন সেটি ইরানে যাবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

গত ২৮ ডিসেম্বরে রাজধানী তেহরানের কয়েকটি বাজারে অর্থনৈতিক সংকটের জেরে ছোট ছোট বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে ইরানে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে তা দ্রুত সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। মূল্যবৃদ্ধি, তীব্র মুদ্রাস্ফীতি এবং রিয়ালের ক্রমাগত দরপতনসহ সামগ্রিক অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ক্ষুব্ধ তরুণ জনগোষ্ঠী ও সাধারণ মানুষ লাগাতার রাজপথে নেমে আসে। গত বৃহস্পতিবার থেকে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে থাকে। ইরানের নির্বাসিত শেষ শাহের ছেলে রেজা পাহলভি সরকারের বিরুদ্ধে আরও জোরালো প্রতিবাদের ডাক দেওয়ার পর রাজপথ যেন জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শরিফুলের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন: তপ্ত গরমে কিউইদের নাভিশ্বাস

ইরানে বিক্ষোভকারীদের পাশে ট্রাম্প: রাজপথে থাকার আহ্বান, ‘সাহায্য আসছে’

আপডেট সময় : ১১:৩৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাদের রাজপথে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি ‘সাহায্য আসছে’ বলেও আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প লেখেন, ‘ইরানের দেশপ্রেমিকরা, বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখলে নিন। হত্যাকারী ও নিপীড়কদের নাম সংরক্ষণ করুন। তাদেরকে চড়া মূল্য দিতে হবে। কাণ্ডজ্ঞানহীন এই হত্যাযজ্ঞ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সবরকম বৈঠক বাতিল করেছি। সাহায্য পৌঁছানোর পথে রয়েছে।’ তবে এই ‘সহায়তা’ ঠিক কী ধরনের এবং কখন সেটি ইরানে যাবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

গত ২৮ ডিসেম্বরে রাজধানী তেহরানের কয়েকটি বাজারে অর্থনৈতিক সংকটের জেরে ছোট ছোট বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে ইরানে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে তা দ্রুত সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। মূল্যবৃদ্ধি, তীব্র মুদ্রাস্ফীতি এবং রিয়ালের ক্রমাগত দরপতনসহ সামগ্রিক অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ক্ষুব্ধ তরুণ জনগোষ্ঠী ও সাধারণ মানুষ লাগাতার রাজপথে নেমে আসে। গত বৃহস্পতিবার থেকে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে থাকে। ইরানের নির্বাসিত শেষ শাহের ছেলে রেজা পাহলভি সরকারের বিরুদ্ধে আরও জোরালো প্রতিবাদের ডাক দেওয়ার পর রাজপথ যেন জনসমুদ্রে পরিণত হয়।