ইরানের ওপর সম্ভাব্য সামরিক ও গোয়েন্দা পদক্ষেপের একাধিক প্রস্তাব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পেশ করেছেন দেশটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। তেহরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে শুরু করে সাইবার অভিযান পর্যন্ত বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে বর্তমানে আলোচনা চলছে।
সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সূত্রগুলো জানিয়েছে, পেন্টাগনের কর্মকর্তারা ইরানের ওপর দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের বিষয়টিকে একটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে রেখেছেন। তবে সরাসরি সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে সাইবার হামলা এবং মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে তেহরানকে কোণঠাসা করার কৌশলকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মনস্তাত্ত্বিক প্রচারণার মাধ্যমে দেশটির ওপর আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চাপ বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে প্রেসিডেন্টকে।
সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবেও ইরানকে চাপে ফেলার নতুন কৌশল নিয়েছে হোয়াইট হাউস। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন যে, যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখবে, তাদের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ইরানের অর্থনীতি আরও বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিরও ক্রমশ অবনতি ঘটছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার দাবি অনুযায়ী, গত তিন সপ্তাহে দেশটিতে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা রাখতে আগ্রহী, তবে যেকোনো ধরনের যুদ্ধ বা বহিঃশত্রুর আক্রমণ মোকাবিলায় তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিকে কেন্দ্র করে নতুন করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
রিপোর্টারের নাম 























