দেশে নিখোঁজ ও অপহৃত শিশুদের দ্রুততম সময়ে খুঁজে বের করতে এক যুগান্তকারী প্রযুক্তিনির্ভর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে চালু করা হয়েছে ‘মিসিং আর্জেন্ট নোটিফিকেশন’ (এমইউএ) বা ‘মুন অ্যালার্ট’। এই বিশেষ ব্যবস্থার পাশাপাশি নাগরিকদের জরুরি সহায়তার জন্য ‘১৩২১৯’ শীর্ষক একটি টোল ফ্রি হেল্পলাইনও উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই নতুন উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত আইজিপি ও সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং নিখোঁজ হওয়ার পরপরই উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করতে এই সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সিআইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ‘মুন অ্যালার্ট’-এর মাধ্যমে সেই তথ্য দেশের প্রতিটি থানায় পৌঁছে দেওয়া হবে। একইসঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় শিশুটির তথ্য মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও এক্স-এ (সাবেক টুইটার)। এছাড়া জনবহুল এলাকা যেমন—মেট্রোরেল স্টেশন, ব্যাংকিং এটিএম বুথ এবং সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এই সতর্কতা বার্তা প্রদর্শিত হবে।
উদ্ধার তৎপরতাকে আরও বেগবান করতে দেশের প্রধান বাস টার্মিনাল, রেলওয়ে স্টেশন ও লঞ্চ ঘাটের জায়ান্ট স্ক্রিনগুলোতে নিখোঁজ শিশুর ছবি ও পরিচয় প্রচার করা হবে। বিশেষ করে সীমান্ত দিয়ে শিশু পাচার রোধে এই ব্যবস্থার আওতায় তাৎক্ষণিক ‘অ্যালার্ট’ জারি করা হবে এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) সতর্ক করা হবে। মূলত নিখোঁজ হওয়ার পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সময়কে কাজে লাগিয়ে শিশুকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনাই এই ‘মুন অ্যালার্ট’-এর প্রধান লক্ষ্য।
রিপোর্টারের নাম 

























