বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বঙ্গভবনে থাকার বা সংসদে বক্তব্য দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। তাই তাকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিন বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকারের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতির বক্তব্য তিনি শোনেননি বা পড়েননি। সেই বক্তব্য এবং বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়াকে তারা প্রত্যাখ্যান জানিয়েছিলেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতি দুদকের কমিশনার থাকাকালে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে ক্লিনচিট দেওয়া এবং ফখরুদ্দিন-মঈনউদ্দিন সরকারের সময় শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলাগুলো বাতিল করে দেওয়ার মতো তিনটি অ্যাসাইনমেন্ট পালন করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে শেখ হাসিনার নির্দেশে সাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের জুডিশিয়াল ইনকয়ারি কমিশন অন মাইনরিটি টর্চার ইন ২০০১-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে বিএনপি সরকার কয়েক হাজার হিন্দুকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ আনা হয়েছিল। এই রিপোর্ট ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ নিজেদের ক্ষমতায় থাকাকে পাকাপোক্ত করেছিল। নাহিদ ইসলামের মতে, এই রাষ্ট্রপতি দুর্বৃত্তের হাতে ইসলামী ব্যাংক তুলে দেওয়ার কারিগর এবং দুই কোটি আমানতকারীকে পথে বসিয়েছেন। তিনি জুলাই গণহত্যার সময় রাষ্ট্রপতির ভূমিকা এবং ফ্যাসিবাদের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতারও সমালোচনা করেন।
রিপোর্টারের নাম 






















