যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে অভিবাসন দমনে ট্রাম্প প্রশাসনের বিতর্কিত ও কঠোর পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। সোমবার রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফেডারেল সরকারের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়। মূলত গত সপ্তাহে মিনিয়াপোলিসে একজন ফেডারেল এজেন্টের গুলিতে এক নারী বিক্ষোভকারী নিহতের ঘটনার পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
মিনেসোটার অ্যাটর্নি জেনারেল কিথ এলিসন অভিযোগ করেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ডেমোক্র্যাট-শাসিত এই রাজ্যে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের অভিবাসন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হয়েছে। তিনি সংবাদ সম্মেলনে জানান, ফেডারেল সরকারের হাজার হাজার অপর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত, সশস্ত্র ও আক্রমণাত্মক এজেন্ট স্থানীয় এলাকাগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে, যা সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিবর্তে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও দাবি করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য, সামাজিক বৈচিত্র্য এবং গণতান্ত্রিক অবস্থানের কারণে মিনেসোটাকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তার মতে, ফেডারেল সরকারের এই তৎপরতা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ও প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এটি কার্যত একটি অঙ্গরাজ্যের ওপর কেন্দ্রীয় সরকারের আক্রমণের শামিল।
এদিকে মিনিয়াপোলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রে সরাসরি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে আঙুল তুলেছেন। তার অভিযোগ, মিনেসোটা ডেমোক্র্যাটদের শক্তিশালী ঘাঁটি হওয়ায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এবং অভিবাসন দমনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে ইচ্ছাকৃতভাবে এখানে ফেডারেল এজেন্টদের আধিপত্য বাড়ানো হচ্ছে।
গত সপ্তাহের প্রাণঘাতী ঘটনার পর থেকে মিনেসোটার সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। সেই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই রাজ্য কর্তৃপক্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের এই আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিল।
রিপোর্টারের নাম 























