ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার সংগ্রহ অব্যাহত: বাজার থেকে আরও ৮.১ কোটি ডলার কিনলো

ডলারের সরবরাহ বাড়াতে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে আরও ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার (৮১ মিলিয়ন) কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার নিলামের মাধ্যমে ১০টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এই ডলার সংগ্রহ করা হয়। এর ফলে চলতি জানুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার কেনার মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৯ কোটি ৮০ লাখ ডলারে (৬৯৮ মিলিয়ন)।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ১০টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার কেনা হয়েছে, যেখানে ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। কাটঅফ মূল্যও নির্ধারণ করা হয়েছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন দফায় নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনছে। এখন পর্যন্ত এই অর্থবছরে মোট ৩.৮৩ বিলিয়ন ডলার (৩৮৩ কোটি ৩৫ লাখ) কেনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ এবং বাজারে ডলারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইরানকে দমানোর সক্ষমতা নিয়ে ভুল ধারণা পোষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার সংগ্রহ অব্যাহত: বাজার থেকে আরও ৮.১ কোটি ডলার কিনলো

আপডেট সময় : ০৮:৩২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

ডলারের সরবরাহ বাড়াতে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে আরও ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার (৮১ মিলিয়ন) কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার নিলামের মাধ্যমে ১০টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এই ডলার সংগ্রহ করা হয়। এর ফলে চলতি জানুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার কেনার মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৯ কোটি ৮০ লাখ ডলারে (৬৯৮ মিলিয়ন)।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ১০টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার কেনা হয়েছে, যেখানে ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। কাটঅফ মূল্যও নির্ধারণ করা হয়েছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন দফায় নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনছে। এখন পর্যন্ত এই অর্থবছরে মোট ৩.৮৩ বিলিয়ন ডলার (৩৮৩ কোটি ৩৫ লাখ) কেনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ এবং বাজারে ডলারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।