ঢাকা ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

সাবেক মেয়র লিটনের ৪১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ: অর্থ পাচার তদন্তে আদালতের নির্দেশ

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এবং তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ৪১টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। অর্থ পাচার ও অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান আদালতের কাছে এই আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবগুলোতে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে সন্দেহজনক ও অস্বাভাবিক লেনদেন পরিলক্ষিত হয়েছে। এসব লেনদেন সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে তথ্যপ্রমাণ মিলেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, অপরাধলব্ধ অর্থ এসব ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে সম্পদ অর্জন ও ভোগ বিলাসে ব্যবহার করা হয়েছে।

সিআইডি আরও জানিয়েছে, এ বিষয়ে একটি বিস্তৃত অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যাতে অবরুদ্ধ হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলন করে পাচার বা অন্যত্র স্থানান্তর করতে না পারে, সেজন্য ব্যাংক হিসাবগুলো ফ্রিজ করা অপরিহার্য। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক সিআইডির আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৬ মার্চ একই আদালত খায়রুজ্জামান লিটন, তার স্ত্রী শাহীন আক্তার এবং দুই কন্যা আনিকা ফারিহা জামান ও মায়সা সামিহা জামানের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার পর এবার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের ঘটনা অর্থ পাচার তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করলো।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফটিকছড়িতে গুলিতে যুবক নিহত: জামায়াত কর্মীর পরিচয় দাবি, থমথমে জনপদ, মেলেনি মামলা

সাবেক মেয়র লিটনের ৪১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ: অর্থ পাচার তদন্তে আদালতের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৫:৩১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এবং তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ৪১টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। অর্থ পাচার ও অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান আদালতের কাছে এই আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবগুলোতে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে সন্দেহজনক ও অস্বাভাবিক লেনদেন পরিলক্ষিত হয়েছে। এসব লেনদেন সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে তথ্যপ্রমাণ মিলেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, অপরাধলব্ধ অর্থ এসব ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে সম্পদ অর্জন ও ভোগ বিলাসে ব্যবহার করা হয়েছে।

সিআইডি আরও জানিয়েছে, এ বিষয়ে একটি বিস্তৃত অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যাতে অবরুদ্ধ হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলন করে পাচার বা অন্যত্র স্থানান্তর করতে না পারে, সেজন্য ব্যাংক হিসাবগুলো ফ্রিজ করা অপরিহার্য। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক সিআইডির আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৬ মার্চ একই আদালত খায়রুজ্জামান লিটন, তার স্ত্রী শাহীন আক্তার এবং দুই কন্যা আনিকা ফারিহা জামান ও মায়সা সামিহা জামানের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার পর এবার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের ঘটনা অর্থ পাচার তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করলো।