ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অর্থপাচারের অভিযোগ: সাবেক মেয়র লিটন ও পরিবারের ৪১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, তার স্ত্রী শাহীন আক্তার এবং দুই কন্যা আনিকা ফারিহা জামান ও মায়সা সামিহা জামানের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা ৪১টি হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অর্থপাচার ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে সিআইডি পুলিশের আবেদনের পর গত ১১ জানুয়ারি রবিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিআইডি পুলিশের ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড অর্গানাইজড বিভাগের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এসব হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আদালতে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, খায়রুজ্জামান লিটন ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন, সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং অর্থপাচারের অভিযোগ রয়েছে। এসব কার্যক্রম মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ২ (শ) ধারার অধীন সম্পৃক্ত অপরাধ।

সিআইডির আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযোগসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অর্থ ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর, সম্পদ অর্জন এবং ভোগবিলাসে ব্যবহার করেছেন—এমন প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে মামলার অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এমতাবস্থায়, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাবে জমাকৃত অপরাধলব্ধ অর্থ যেন অভিযোগসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উত্তোলন করে পাচার বা অন্যত্র স্থানান্তর করতে না পারেন, সে জন্য হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা অত্যন্ত জরুরি বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথের বেদখল হল উদ্ধারে সব ধরনের আইনি সহায়তার আশ্বাস এমপি হামিদের

অর্থপাচারের অভিযোগ: সাবেক মেয়র লিটন ও পরিবারের ৪১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

আপডেট সময় : ০১:০২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, তার স্ত্রী শাহীন আক্তার এবং দুই কন্যা আনিকা ফারিহা জামান ও মায়সা সামিহা জামানের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা ৪১টি হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অর্থপাচার ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে সিআইডি পুলিশের আবেদনের পর গত ১১ জানুয়ারি রবিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিআইডি পুলিশের ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড অর্গানাইজড বিভাগের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এসব হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আদালতে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, খায়রুজ্জামান লিটন ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন, সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং অর্থপাচারের অভিযোগ রয়েছে। এসব কার্যক্রম মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ২ (শ) ধারার অধীন সম্পৃক্ত অপরাধ।

সিআইডির আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযোগসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অর্থ ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর, সম্পদ অর্জন এবং ভোগবিলাসে ব্যবহার করেছেন—এমন প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে মামলার অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এমতাবস্থায়, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাবে জমাকৃত অপরাধলব্ধ অর্থ যেন অভিযোগসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উত্তোলন করে পাচার বা অন্যত্র স্থানান্তর করতে না পারেন, সে জন্য হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা অত্যন্ত জরুরি বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।