ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

এলপিজির সংকট কৃত্রিম, আইনি ব্যবস্থার দাবি জামায়াতের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

এলপিজির সংকটকে কৃত্রিম দাবি করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। পাশাপাশি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে দলটি।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে রাজনৈতিক দলটি থেকে এ দাবি করা হয়। 

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সই করা বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে এলপিজি গ্যাসের পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জনসাধারণকে দুর্ভোগে ফেলছে। এ ধরণের অমানবিক ও জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এলপিজির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে মূল্য বৃদ্ধি ও বাজার অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা দেশের অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এলপিজি বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওই বিবৃতিতে বলা হয়, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারী, মজুতদারি ও অসাধু ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। জনগণের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সরকারকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাজার মনিটরিং জোরদার ও দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে এ ধরণের সংকট বারবার ফিরে আসবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনৈতিক ও মানবাধিকার বিতর্ক ছাপিয়ে শুরু হলো বিশ্বকাপ, নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি আয়োজকরা

এলপিজির সংকট কৃত্রিম, আইনি ব্যবস্থার দাবি জামায়াতের

আপডেট সময় : ০৯:৪১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

এলপিজির সংকটকে কৃত্রিম দাবি করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। পাশাপাশি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে দলটি।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে রাজনৈতিক দলটি থেকে এ দাবি করা হয়। 

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সই করা বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে এলপিজি গ্যাসের পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জনসাধারণকে দুর্ভোগে ফেলছে। এ ধরণের অমানবিক ও জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এলপিজির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে মূল্য বৃদ্ধি ও বাজার অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা দেশের অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এলপিজি বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওই বিবৃতিতে বলা হয়, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারী, মজুতদারি ও অসাধু ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। জনগণের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সরকারকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাজার মনিটরিং জোরদার ও দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে এ ধরণের সংকট বারবার ফিরে আসবে।