ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পিকেএসএফের ‘গ্রিন’ প্রকল্পের উদ্বোধন: ২ লাখ ৫৮ হাজার পরিবার উপকৃত হবে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোক্তা উন্নয়নে ‘গ্রোথ ফর ক্লাইমেট রিজিলিয়েন্ট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল এন্টারপ্রিনিয়ারশিপ অ্যান্ড নিউট্রিশন’ (গ্রিন) নামক একটি নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন করেছে। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।

প্রকল্পের আওতায় হাওর, উপকূল, বরেন্দ্র ও চরাঞ্চলসহ দেশের ২ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি পরিবার সরাসরি উপকৃত হবে। জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী, নারী, যুব, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, সামাজিকভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে প্রকল্পটি জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা, সবুজ প্রযুক্তি, টেকসই উদ্যোক্তা উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক সেবা এবং সহযোগী সংস্থাগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার করার উপর আলোকপাত করবে।

রাজধানীর পিকেএসএফ ভবন-১ এ আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের। অনুষ্ঠানে পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপ-মহাব্যবস্থাপক ও প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. হাবিবুর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক একিউএম গোলাম মাওলা, মো. মশিয়ার রহমান এবং মুহম্মদ হাসান খালেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত মেয়াদকালে বাস্তবায়িতব্য এই প্রকল্পে মোট ২১১.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ) ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বাকি অর্থ পিকেএসএফ ও সহযোগী সংস্থাগুলো সরবরাহ করবে। পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘গ্রিন’ প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পিকেএসএফ কাজ করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ডিজিটাল ফাইন্যান্সিং, এগ্রো-ইকোলজিক্যাল কৃষি, কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ, স্থানীয় পর্যায়ে অ্যাগ্রো-প্রসেসিং ও প্রাথমিক কৃষি পণ্যের সাথে মূল্য সংযোজন, নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্যব্যবস্থা, সৌরশক্তির ব্যবহার এবং সার্কুলার ইকোনমির প্রসারে গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্রিয়েটিভ ইকোনমি ও ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশবান্ধব নতুন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন কর ছাড়াই চাঁদপুর পৌরসভার ২০৫ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পিকেএসএফের ‘গ্রিন’ প্রকল্পের উদ্বোধন: ২ লাখ ৫৮ হাজার পরিবার উপকৃত হবে

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোক্তা উন্নয়নে ‘গ্রোথ ফর ক্লাইমেট রিজিলিয়েন্ট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল এন্টারপ্রিনিয়ারশিপ অ্যান্ড নিউট্রিশন’ (গ্রিন) নামক একটি নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন করেছে। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।

প্রকল্পের আওতায় হাওর, উপকূল, বরেন্দ্র ও চরাঞ্চলসহ দেশের ২ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি পরিবার সরাসরি উপকৃত হবে। জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী, নারী, যুব, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, সামাজিকভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে প্রকল্পটি জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা, সবুজ প্রযুক্তি, টেকসই উদ্যোক্তা উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক সেবা এবং সহযোগী সংস্থাগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার করার উপর আলোকপাত করবে।

রাজধানীর পিকেএসএফ ভবন-১ এ আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের। অনুষ্ঠানে পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপ-মহাব্যবস্থাপক ও প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. হাবিবুর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক একিউএম গোলাম মাওলা, মো. মশিয়ার রহমান এবং মুহম্মদ হাসান খালেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত মেয়াদকালে বাস্তবায়িতব্য এই প্রকল্পে মোট ২১১.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ) ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বাকি অর্থ পিকেএসএফ ও সহযোগী সংস্থাগুলো সরবরাহ করবে। পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘গ্রিন’ প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পিকেএসএফ কাজ করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ডিজিটাল ফাইন্যান্সিং, এগ্রো-ইকোলজিক্যাল কৃষি, কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ, স্থানীয় পর্যায়ে অ্যাগ্রো-প্রসেসিং ও প্রাথমিক কৃষি পণ্যের সাথে মূল্য সংযোজন, নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্যব্যবস্থা, সৌরশক্তির ব্যবহার এবং সার্কুলার ইকোনমির প্রসারে গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্রিয়েটিভ ইকোনমি ও ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশবান্ধব নতুন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।